গাজায় অপর্যাপ্ত ত্রাণ পৌঁছানো এবং ইসরায়েলের অব্যাহত সামরিক অভিযানের কারণে দেশটির ওপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ছে। যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও কানাডার মতো গুরুত্বপূর্ণ মিত্র দেশগুলো ইসরায়েলকে কঠোর বার্তা দিয়েছে যে, যদি তারা হামলা বন্ধ না করে এবং মানবিক সহায়তা অবাধে প্রবেশ করতে না দেয়, তবে তাদের বিরুদ্ধে ‘নির্দিষ্ট পদক্ষেপ’ নেওয়া হবে।
মঙ্গলবার (২০ মে, ২০২৫) যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ল্যামি গাজার পরিস্থিতিকে ‘নৈতিকভাবে অগ্রহণযোগ্য’ বলে অভিহিত করেছেন এবং ইসরায়েলের বসতি স্থাপনকারীদের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি জোর দিয়েছেন যে, ইসরায়েলের আত্মরক্ষার অধিকার থাকলেও চলমান সংঘাত ‘কালো অধ্যায়ে’ প্রবেশ করেছে।
গাজায় গত ৫ মে থেকে নতুন করে শুরু হওয়া ইসরায়েলি অভিযানে মানবিক পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করেছে। যদিও ইসরায়েল সীমিত পরিমাণ ত্রাণ প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে, জাতিসংঘ এবং অন্যান্য ত্রাণ সংস্থাগুলো জানিয়েছে যে, এটি প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত নগণ্য। গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সেখানে খাদ্য, ওষুধ এবং অন্যান্য মৌলিক পণ্যের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।
বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশ ইসরায়েলকে আন্তর্জাতিক মানবিক আইন মেনে চলার এবং গাজার জনগণের জন্য জরুরি সহায়তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানাচ্ছে।


















