চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচনে ভিপি (সহ-সভাপতি) ও জিএস (সাধারণ সম্পাদক) পদে বড় জয় পেয়েছে ছাত্রশিবির সমর্থিত “সম্প্রীতির শিক্ষার্থী জোট” প্যানেল। দুই শীর্ষ পদ ছাড়াও তারা আরও ২২টি পদে বিজয়ী হয়েছে। অন্যদিকে, এজিএস (সহ-সাধারণ সম্পাদক) পদে জয় পেয়েছেন ছাত্রদল সমর্থিত প্রার্থী।
বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে চাকসু নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত ফলাফল থেকে এ তথ্য জানা যায়।
ভিপি পদে ইব্রাহিম হোসেন রনি ৭ হাজার ৯৮৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদলের সাজ্জাদ হোসেন পেয়েছেন ৪ হাজার ৩৭৪ ভোট।
জিএস পদে সাঈদ বিন হাবিব পেয়েছেন ৮ হাজার ৩১ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদলের মো. শাফায়াত হোসেন পেয়েছেন ২ হাজার ৭৩৪ ভোট।
অন্যদিকে, এজিএস পদে ছাত্রদল সমর্থিত আইয়ুবুর রহমান তৌফিক পেয়েছেন ৭ হাজার ১৪ ভোট, তার প্রতিদ্বন্দ্বী সাজ্জাদ হোসেন মুন্না পেয়েছেন ৫ হাজার ৪৫ ভোট।
চাকসুর ২৬টি পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ৪১৫ জন প্রার্থী, আর হল সংসদের ২৪টি পদের জন্য ৪৯৩ জন প্রার্থী। ভোটগ্রহণ হয় বুধবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
দিনভর ভোটগ্রহণ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হলেও, ফলাফল ঘোষণার আগে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। বুধবার রাত একটার পর দুই হলের ভোট কারচুপির অভিযোগে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিনকে প্রায় আড়াই ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখে ছাত্রদল সমর্থিত নেতাকর্মীরা।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নম্বর গেটের বাইরে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকরা আলাদা অবস্থান নেয়, যদিও কোনো সংঘর্ষ হয়নি।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে রাতে ক্যাম্পাসে বিজিবি মোতায়েন করা হয়।



















