ইরান নতুন ও উন্নত ক্ষমতাসম্পন্ন ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে বলে জানালেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদেহ। তিনি সতর্ক করে বলেন, ইসরায়েল আবার হামলা চালালে এবার আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করবে তেহরান।
মন্ত্রী জানান, সাম্প্রতিক ১২ দিনের যুদ্ধে ব্যবহৃত ক্ষেপণাস্ত্রগুলো পুরনো প্রজন্মের হলেও বর্তমানে ইরানের হাতে আরও উন্নত প্রযুক্তির অস্ত্র রয়েছে। “জায়নবাদী শত্রু যদি পুনরায় আগ্রাসন চালায়, আমরা নিশ্চয়ই সেগুলো ব্যবহার করব,” বলেন তিনি।
গত জুনে ইসরায়েলের বিমান হামলায় ইরানের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা, বিজ্ঞানী ও বহু বেসামরিক নিহত হন। সেই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রও সীমিত আকারে অংশ নেয় এবং ইরানের পরমাণু স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে আক্রমণ চালায়।
এদিকে ইরানের উপ-রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ রেজা আরেফ বলেছেন, এটি স্থায়ী শান্তি নয়, বরং কেবল অস্ত্রবিরতি। দেশকে সর্বক্ষণ প্রস্তুত থাকতে হবে।
ইরানি গণমাধ্যম জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার থেকে সেনাবাহিনী দুই দিনের সামরিক মহড়া শুরু করবে, যেখানে স্বল্প ও মধ্যম পাল্লার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হবে।
পশ্চিমা বিশ্ব ইরানের মিসাইল কর্মসূচি নিয়ে বরাবরই উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে ফ্রান্স একটি সামগ্রিক চুক্তির প্রস্তাব দেয়, যাতে শুধু পরমাণু নয়, মিসাইল কর্মসূচিও অন্তর্ভুক্ত থাকে। তবে তেহরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তাদের সামরিক সক্ষমতা কোনো আলোচনার বিষয় নয়।



















