প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, “ভোট কেন্দ্রে আগে তো আপনারা অনেক কুকুর দেখিয়েছেন টেলিভিশনে। মাঠ খালি, কুকুরের ছবি দিয়ে সংবাদ প্রচার করেছেন। আজ কেন্দ্রের ধারে কুকুর খুঁজে পাবেন না। এখন সব মানুষ আর মানুষ।”
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেন হাইস্কুল কেন্দ্রে ভোট প্রদান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রতি আস্থা ফিরে আসবে কিনা— এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, “ইসির ওপর আস্থা এরই মধ্যে ফিরে এসেছে। তা না হলে তো এত লোক ভোট দিতে আসত না। দলগুলোও আস্থা রেখেছে, মুখে যা-ই বলুক না কেন। আমাদের ওপর আস্থা আছে বলেই আজ এতগুলো ক্যামেরা নিয়ে আপনারা হাজির হয়েছেন।”
দেশের বিভিন্ন স্থানে ভোটগ্রহণ পরিস্থিতি সন্তোষজনক বলে জানান সিইসি। তিনি বলেন, “টেলিভিশনে দেশের অনেক জায়গার পরিস্থিতি দেখেছি। পঞ্চগড়ের মতো এলাকায় নারীরা সকাল থেকে কুয়াশার মধ্যে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিচ্ছেন। আমাদের যুব সমাজ ও নারীরা আমাদের শক্তিতে রূপান্তর হবে, ইনশাল্লাহ।”
ঈদের আমেজের সঙ্গে ভোটের পরিবেশের তুলনা করে তিনি বলেন, “বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন দেওয়ার ওয়াদা করেছিলাম। সারা দেশে সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন হচ্ছে। বাংলাদেশ গণতন্ত্রের ট্রেনে উঠে গেছে। ইসি কারও পক্ষে বা বিপক্ষে নয়। এ দেশে পাতানো নির্বাচন হবে না। কেন্দ্র দখল ভুলে যেতে হবে।”
গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে সিইসি বলেন, “আপনারা সত্য তথ্য তুলে ধরবেন। মেইনস্ট্রিম গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা নিতে হবে। অনেকে ভিন্ন উদ্দেশ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুল তথ্য ছড়ায়। শেয়ার করার আগে সত্য-মিথ্যা যাচাই করা জরুরি।”
নির্বাচন নিয়ে গুজব ও অপপ্রচার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এআই জেনারেটেড কন্টেন্ট এখন আমাদের জন্য বড় হুমকি। আমরা প্রস্তুতি নিয়েছি, তবুও পুরোপুরি মোকাবিলা করা কঠিন। অনেক অপপ্রচারের উৎস দেশের বাইরেও। তবে আমরা সত্য তথ্য দিয়ে অপতথ্য মোকাবিলার কৌশল নিয়েছি।”
সুষ্ঠু নির্বাচনের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, “মানুষ বুঝে গেছে সুষ্ঠু নির্বাচন ছাড়া আমাদের অন্য কোনো উদ্দেশ্য নেই। নারীদের ব্যাপক উপস্থিতি আমাকে আনন্দিত করেছে।”
চাইলে আমি এটাকে আপনার পোর্টালের স্টাইল অনুযায়ী আরও সংক্ষিপ্ত, ব্রেকিং ফরম্যাট বা এসইও-ফ্রেন্ডলি ভার্সন করে দিতে পারি।



















