অ্যান্টিবায়োটিক, নিউমোনিয়া, উচ্চ রক্তচাপ, সর্দি-জ্বর, গ্যাস্ট্রিক, আলসার, ভিটামিন ও ব্যথানাশকসহ ২০টি অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের দাম সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ কমিয়েছে সরকারি প্রতিষ্ঠান এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড (ইডিসিএল)। প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদিত ১৫৯টি ওষুধের মধ্যে এই ২০টির দাম কমানো হয়েছে।
ইডিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আ. সামাদ মৃধা জানিয়েছেন, কাঁচামাল কেনাকাটায় দীর্ঘদিনের সিন্ডিকেট ভেঙে কম দামে কাঁচামাল সংগ্রহ ও উৎপাদন খরচ কমানো সম্ভব হয়েছে। পাশাপাশি কাজের সময় মেনে চলা, সিস্টেম লস কমানো ও অপ্রয়োজনীয় কর্মী ছাঁটাই করায় মাসে প্রায় ১৮ কোটি টাকা সাশ্রয় হচ্ছে। ফলে সরকারি হাসপাতালের ওষুধ সরবরাহের হার ৭০ শতাংশ থেকে বেড়ে ৯০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।
দাম কমানো ওষুধের মধ্যে রয়েছে— প্যারাসিটামল ট্যাবলেট (১.২০ টাকা থেকে ১.১৫ টাকা), ওমিপ্রাজল ক্যাপসুল ২০ এমজি (২.৭৫ টাকা থেকে ২.৪০ টাকা), সেফট্রায়াক্সন ইনজেকশন ১ জিএম (১১৫ টাকা থেকে ৯০ টাকা), মেরোপেন ইনজেকশন ১ জিএম (৭৯৩ টাকা ২৮ পয়সা থেকে ৩৪৩ টাকা), অ্যামলোডিপিন ট্যাবলেট ৫ এমজি (২.৫০ টাকা থেকে ২.১৫ টাকা) প্রভৃতি।
তবে বাজারে এই দাম কমানোর প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশেষজ্ঞরা। চিকিৎসাবিজ্ঞানী অধ্যাপক ডা. লিয়াকত আলী বলেন, উদ্যোগটি প্রশংসনীয় হলেও সাধারণ মানুষের জন্য বিনামূল্যে সরবরাহের ব্যবস্থাই সবচেয়ে কার্যকর হবে। অন্যদিকে বাংলাদেশ ওষুধ শিল্প সমিতির মহাসচিব ডা. মো. জাকির হোসেনের মতে, ইডিসিএল মূলত সরকারি হাসপাতালে ওষুধ সরবরাহ করে এবং তাদের ব্যবসায়িক মডেল বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের থেকে আলাদা। ফলে দাম কমানোর প্রভাব বাজারে সরাসরি পড়বে না।



















