শুক্রবার , ২৫ জুলাই ২০২৫ | ১৮ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. ভিডিও
📢 এখানে আপনার বিজ্ঞাপন দিন
বিজ্ঞাপনের আকার সর্বোচ্চ: 1080 × 200 px

ভরা মৌসুম সত্ত্বেও ইলিশের দাম আকাশছোঁয়া: বাজারে মাছের আগুন দাম

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
জুলাই ২৫, ২০২৫ ৩:২৬ পূর্বাহ্ণ

চাল ও সবজির লাগামহীন দামের পর এবার মাছের মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বেড়েছে, যা মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তের ক্রেতাদের জন্য পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন করে তুলেছে। বাজারে মাছের দাম তরতর করে বাড়ছে, ফলে পুষ্টির অন্যতম উৎস এই খাবার ক্রমেই ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে সব ধরনের মাছের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। ব্যবসায়ীরা মাছের ঘাটতি, খামারিদের উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি এবং পরিবহন ব্যয় বাড়াকে এর কারণ হিসেবে উল্লেখ করছেন। দাম বাড়ার কারণে মাছ বিক্রিও কমেছে বলে তাদের দাবি। বিশেষজ্ঞরা দ্রুত বাজার তদারকি বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন, যাতে লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি ঠেকানো যায়।

বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) রাজধানীর মহাখালী কাঁচাবাজার, জোয়ারসাহারা বাজার, বাড্ডা ও রামপুরা বাজার ঘুরে দেখা যায়, চাষের মাছের দাম কেজিতে ৪০ থেকে ৬০ টাকা বেড়েছে। বড় রুই মাছ (৩-৪ কেজি) এখন ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি রুই (২ কেজি) ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা এবং এক কেজি রুই ৩৬০ থেকে ৩৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বড় কাতলা প্রতি কেজি ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা এবং মাঝারি কাতলা ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সস্তার মাছের দামও চড়া: তেলাপিয়ার মতো সস্তার মাছেরও দাম বেড়েছে। মাঝারি ও বড় তেলাপিয়া প্রতি কেজি ২৬০ থেকে ২৮০ টাকা এবং পাঙ্গাশ প্রতি কেজি ২০০ থেকে ২৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ছোট মাছের দামও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে: চাষের ট্যাংরা প্রতি কেজি ৭৫০ থেকে ৮৫০ টাকা, কাঁচকি ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা, মলা ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকা, চিংড়ি ৭৫০ থেকে এক হাজার ২০০ টাকা। শিং মাছ প্রতি কেজি ৪৫০ থেকে ৬০০ টাকা এবং পাবদা ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রামপুরা কাঁচাবাজারের এক ক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “বাজারে মাছের কোনো সংকট নেই, এর পরও দামে আগুন। এক মাস আগে যে মাছ ৩২০ টাকা কেজি দরে নিয়েছি, এখন তা ৪০০ টাকা।” জোয়ারসাহারা বাজারের এক বিক্রেতা জানান, “আড়তে মাছের সংকট নেই, কিন্তু কোরবানির ঈদের পর থেকে অত্যধিক বাড়তি দরে মাছ কিনতে হচ্ছে। মাছের দাম বাড়ায় আমাদের বিক্রিও কিছুটা কমেছে।” বাড্ডা বাজারের আরেক বিক্রেতা বলেন, কিছুদিন আগে অতিরিক্ত গরমে বিভিন্ন এলাকার পুকুরের মাছ মারা যাওয়ায় চাষিরা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, যা দাম বাড়ার একটি কারণ।

রাজধানীর সুপারশপগুলোতেও মাছ চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। দুই থেকে আড়াই কেজি ওজনের চাষের রুই প্রতি কেজি ৫৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ইলিশসহ অন্যান্য মাছের দাম আরও চড়া।

ইলিশের ভরা মৌসুমেও দাম নাগালের বাইরে: ইলিশের এখন ভরা মৌসুম হলেও বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ নেই এবং দাম খুবই চড়া। ৫০০ গ্রামের ইলিশ এক হাজার ২০০ থেকে এক হাজার ৪০০ টাকা কেজি, ৮০০ গ্রামের ইলিশ এক হাজার ৭০০ থেকে এক হাজার ৮০০ টাকা, এক কেজির ইলিশ দুই হাজার থেকে দুই হাজার ২০০ টাকা এবং দেড় কেজির ইলিশ দুই হাজার ৫০০ থেকে দুই হাজার ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ‘জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০২৫’ উপলক্ষে গত সোমবার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, ইলিশের দাম এখনও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। সরকার দাম নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে বলেও তিনি জানান।

অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম: সবজির বাজারেও দাম স্থিতিশীল নেই। বেগুন মানভেদে ৮০ থেকে ১০০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, কাঁকরোল ৮০ টাকা, ঝিঙা ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ৭০ থেকে ৮০ টাকা, টমেটো ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা, ঢেঁড়স ও পটোল ৬০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা, ধুন্দল ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লম্বা লাউ প্রতি পিস ৭০ থেকে ৮০ টাকা এবং চালকুমড়া প্রতি পিস ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ব্রয়লার মুরগির দাম ক্রেতার নাগালে (১৬০-১৭০ টাকা কেজি) থাকলেও, সোনালি মুরগি চড়া দামে (৩০০-৩২০ টাকা কেজি) বিক্রি হচ্ছে। ফার্মের মুরগির ডিম প্রতি ডজন ১২৫ থেকে ১৩০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।

সর্বশেষ - শিক্ষা

পতাকা উত্তোলন ঘিরে দিল্লিতে হাজারো পুলিশ মোতায়েন, বন্ধ সেন্ট্রাল পার্ক

ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে ছুটির তারিখ পরিবর্তন

ইসরায়েলে ইরানের নতুন বিমান হামলা: ‘অযৌক্তিক আগ্রাসনের পাল্টা জবাব’

বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে ‘মন্থা’

তারেক রহমান আমাদের আবেগ অভিভাবক

দেশকে গড়তে হলে পারস্পরিক আস্থার পরিবেশ জরুরি; প্রধান উপদেষ্টা

অবৈধ সম্পদ ও অর্থপাচারের অভিযোগে সাকিবের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু

মোদি সরকারের বিরুদ্ধে তরুণদের লড়াইয়ে বাংলাদেশের উদাহরণ টানলেন নেহা বোরা

আফগানিস্তানে তালেবান শাসনের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিল রাশিয়া

যুবদলের যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক হলেন নির্যাতিত নেতা সাজিদ হাসান বাবু