জাপানের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন সানা তাকাইচি। ক্ষমতায় বসাতে তাকে সমর্থন দিতে জোট গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ও প্রধান বিরোধী দল জাপান ইনোভেশন পার্টি (জেআইপি)।
এলডিপির নতুন নেতা হিসেবে চলতি মাসের শুরুতে নির্বাচিত হন তাকাইচি। তবে দীর্ঘদিনের শরিক কোমেইতো পার্টি জোট থেকে সরে যাওয়ায় ক্ষমতায় ওঠার পথ অনিশ্চিত হয়ে পড়ে তার। এরপর এলডিপি নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরিতে উদ্যোগ নেয়, যার ফলেই এই ঐতিহাসিক জোট গঠনের সিদ্ধান্ত আসে।
জাপানি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার তাকাইচি ও জেআইপি নেতা হিরোফুমি ইয়োশিমুরা আনুষ্ঠানিকভাবে জোট চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন। ইয়োমিউরি শিমবুনসহ একাধিক গণমাধ্যম এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
আগামী মঙ্গলবার সংসদে ভোট হবে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের জন্য। এলডিপি-জেআইপি জোট গঠিত হলে তাকাইচির প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি। তবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে এখনও দু’টি আসনের ঘাটতি রয়ে গেছে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জাপান সফরের আগেই দেশটির রাজনীতিতে এই নতুন সমীকরণে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।
সূত্র: আল-জাজিরা, এএফপি



















