মঙ্গলবার , ১৫ এপ্রিল ২০২৫ | ৩রা আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. খেলাধুলা
  2. ভিডিও

বিসিবিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের অভিযান, টিকিট বিক্রিতে অনিয়ম তদন্তে তৎপরতা

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
এপ্রিল ১৫, ২০২৫ ১২:৫৪ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) আজ মঙ্গলবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একটি বিশেষ ইউনিট অভিযান পরিচালনা করেছে। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) টিকিট বিক্রিতে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের ভিত্তিতে এই অনুসন্ধান শুরু করে সংস্থাটি।

সকালে দুদকের ঢাকা কার্যালয় থেকে একটি দল বিসিবি ভবনে যায় এবং সেখানেই শুরু হয় এ অভিযান। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম জানান, পুরনো নথিপত্র খতিয়ে দেখাই মূল লক্ষ্য। তবে সূত্র জানিয়েছে, টিকিট বিক্রিতে কালোবাজারিসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ রয়েছে, যার সঙ্গে নিরাপত্তাকর্মী ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে।

দুদক সূত্র জানায়, এবারের বিপিএলে টিকিট বিক্রি থেকে বিসিবি প্রায় ১৩ কোটি টাকার বেশি আয় করলেও, এর প্রকৃত হিসাব এবং প্রক্রিয়ায় অসংগতি রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এর আগে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের বিরুদ্ধেও হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে অর্থ পাচার এবং বোর্ডের অভ্যন্তরে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছিল দুদক। তবে সেই তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

দুদকের এই অভিযান দেশের ক্রীড়াঙ্গনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার গুরুত্ব আরও একবার তুলে ধরেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন, খেলাধুলার মতো গৌরবময় অঙ্গনকে দুর্নীতিমুক্ত রাখতে এমন পদক্ষেপ ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখা জরুরি।

সর্বশেষ - জাতীয়

ভারতকে দু’বার হারানোর হুঁশিয়ারি হারিস রউফের

ঘুষের বিনিময়ে অবৈধ স্লিপার বাসের নিবন্ধন: বিআরটিএ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, ঝুঁকিতে জননিরাপত্তা

ইলন মাস্কের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ‘বিরক্ত’ হয়ে টেসলা ছাড়লেন প্রকৌশলী

বান্দরবানে ভূমিকম্প অনুভূত

ভুটানকে উড়িয়ে বাংলাদেশের হ্যাটট্রিক জয়, শান্তর হ্যাটট্রিক

ঐক্য ও সাম্য প্রতিষ্ঠায় আশুরার শিক্ষা অনুসরণের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

যেসব এলাকায় শনিবার ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না

খালেদা জিয়ার মরদেহ নেওয়া হবে সংসদ ভবনে, সময় জানালেন প্রেস সচিব

থাইল্যান্ডে মাদক পার্টি থেকে চার ইসরায়েলি সেনা গ্রেফতার

বাংলাদেশে ইসলামিস্টদের উত্থান নিয়ে নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন বিভ্রান্তিকর: প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং