বুধবার , ১৬ জুলাই ২০২৫ | ১৭ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. ভিডিও
📢 এখানে আপনার বিজ্ঞাপন দিন
বিজ্ঞাপনের আকার সর্বোচ্চ: 1080 × 200 px

মিটফোর্ডে সোহাগ হত্যাকাণ্ড: ডিএমপি’র দাবি, চোরাই তারের ব্যবসা নিয়েই খুন

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
জুলাই ১৬, ২০২৫ ১০:২৬ পূর্বাহ্ণ

গত ৯ জুলাই রাজধানীর মিটফোর্ডে প্রকাশ্য দিবালোকে সংঘটিত লালচাঁদ ওরফে সোহাগ হত্যাকাণ্ডে এ পর্যন্ত ৯ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। ডিএমপি’র দাবি, পল্লি বিদ্যুতের চোরাই তারের ব্যবসা নিয়ে পূর্ব পরিচিতদের মধ্যেই দ্বন্দ্বের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। বুধবার (১৬ জুলাই) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী ও অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম।

ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী জানান, বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ৩ নম্বর গেটের সামনে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সোহাগকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে চকবাজার থানার পুলিশ। সে সময় অভিযুক্তরা “চাঁদাবাজদের জায়গা নেই, ব্যবসায়ীদের ভয় নেই” স্লোগান দিয়ে একটি জনরোষ তৈরির চেষ্টা করছিল। ঘটনাস্থল থেকে সন্দিগ্ধ মাহমুদুল হাসান মহিন ও রবিন নামের দুইজনকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনার ভিত্তিতে আরও সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে সোহাগকে পাথর নিক্ষেপকারী মো. রেজওয়ান উদ্দিন অভিও (ধর্মান্তরিত মুসলিম) রয়েছেন, যাকে ১৫ জুলাই পটুয়াখালী থেকে গ্রেফতার করা হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এস এন মো. নজরুল ইসলাম জানান, সোহাগ বিগত ১৭ বছর ধরে হাজী সেলিমের ভাগ্নে পিল্লু কমিশনারের ছত্রছায়ায় চোরাই তারের ব্যবসা করত। ৫ আগস্টের পর তার রাজনৈতিক ভোল পাল্টানো এবং নতুন একটি গ্রুপের এই ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ার পর তাদের মধ্যে ব্যবসায়িক কোন্দল সৃষ্টি হয়, যা হত্যাকাণ্ডের কারণ। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নেই।

ডিএমপি কমিশনার এজাহার নিয়ে ছড়িয়ে পড়া বিভ্রান্তিমূলক তথ্যের বিষয়েও স্পষ্টীকরণ দেন। তিনি জানান, প্রথমে নিহত সোহাগের সাবেক স্ত্রী ও সৎ ভাই ২৩ জনকে আসামি করে একটি খসড়া এজাহার তৈরি করেন। পরে সোহাগের আপন বড় বোন মঞ্জু আরা বেগম ৫ জনের নাম বাদ দিয়ে এবং ১ জনের নাম যোগ করে মোট ১৯ জনকে আসামি করে এজাহার দাখিল করেন। খসড়া এজাহারের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল।

ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেন, “এই নারকীয় হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত সকলকে আমরা আইনের আওতায় নিয়ে আসব। এই ধরনের জঘন্য অপরাধের পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে সেজন্য অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।” গ্রেফতারকৃত আসামিদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে এবং অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।

সর্বশেষ - শিক্ষা

সপরিবারে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

হাসিনা-রেহানার দুর্নীতির ৩ মামলায় নতুন পাঁচ সাক্ষীর জবানবন্দি

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু, মাঠে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

চীনের দেরিতে অনিশ্চয়তায় তিস্তা প্রকল্প

বাংলাদেশে মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনকে মনোনয়ন

এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে মাস্ক ও স্যানিটাইজার বাধ্যতামূলক

২৪ সেপ্টেম্বর থেকে দুর্গাপূজা নিরাপত্তায় মাঠে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

টানা বৃষ্টিতে জনদুর্ভোগ, পাঁচ দিন পর্যন্ত বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে

দায়িত্ব শেষ করলেই বাঁচব’ — আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল

‘আপনার সেই প্ল্যান কোথায়?’ তারেক রহমানকে নাহিদের প্রশ্ন