টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে ফেনীর মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনিয়া নদীর অন্তত ২১টি স্থানে বাঁধ ভেঙে গেছে। এতে ছাগলনাইয়া ও ফুলগাজী উপজেলার শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়ে পড়েছে। বুধবার সন্ধ্যা থেকে ছাগলনাইয়া উপজেলার মাটিয়াগোধা, দক্ষিণ সতেরো, উত্তর সতেরো, লক্ষ্মীপুর, নিচিন্তা ও কাশিপুরসহ ১০টির বেশি গ্রাম তলিয়ে গেছে বন্যার পানিতে। রাস্তাঘাট ডুবে যাওয়ায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে, এতে প্রায় ২০ হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
ফুলগাজী ও পরশুরাম উপজেলার কিছু এলাকায় বৈদ্যুতিক খুঁটি, মিটার ও ট্রান্সফরমার পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় দুর্ঘটনা এড়াতে প্রায় ৩১ হাজার ২০০ গ্রাহকের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রেখেছে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ। ফুলগাজী পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম মো. হাবিবুর রহমান জানান, ৩০ শতাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রাখা হয়েছে। পরশুরাম পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম মো. সোহেল আকতারের তথ্য অনুযায়ী, তাদের ৬০ শতাংশ গ্রাহকের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। মোবাইল নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন থাকায় বানভাসি মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে।
অন্যান্য জেলার চিত্র:
নোয়াখালী: তিন দিনের টানা বৃষ্টিতে নোয়াখালীতে ব্যাপক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। অসংখ্য মৎস্য খামার পানিতে ভেসে গেছে। বেগমগঞ্জের অনন্তপুরে ৯০ একর বিশিষ্ট আরএমএ মৎস্য খামারটি সম্পূর্ণ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
গোপালগঞ্জ: একটানা প্রবল বর্ষণের ফলে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার বিভিন্ন সড়ক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একটি সড়ক দিয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে এবং অন্যান্য সড়কগুলোও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
মানিকগঞ্জ: কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে মানিকগঞ্জের নিম্ন আয়ের মানুষ মহাবিপাকে পড়েছেন। বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পানি জমে যাওয়ায় মানুষের যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।



















