অতীত সরকারের নেওয়া বিদেশি ঋণ পরিশোধের চাপ রেকর্ড পরিমাণে বেড়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশকে ৪০০ কোটি ডলারের বেশি ঋণ পরিশোধ করতে হয়েছে। অর্থবিভাগ সূত্রে জানা যায়, গত অর্থবছরে সুদ ও আসল মিলিয়ে প্রায় ৪০৯ কোটি ডলার শোধ করা হয়েছে, যা এযাবৎকালের সর্বোচ্চ।
বিশ্লেষকরা বলছেন, বিদেশি ঋণের দায় ক্রমশ বাড়তে থাকায় অর্থনীতিতে নতুন চাপ তৈরি হয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শেষে এ চাপ আরও বাড়বে। এর মধ্যে বাংলাদেশ এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের পথে থাকায় আগামীতে ঋণের সুদও বাড়বে।
অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন মনে করেন, গত ১৫ বছরে অপ্রয়োজনীয় অনেক খাতে বিদেশি ঋণ নেওয়া হয়েছিল, যা এখন অর্থনীতির জন্য বড় বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) সম্প্রতি আয়োজিত এক আলোচনাতেও বিদেশি ঋণ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন হলে দায়িত্ব গ্রহণের শুরুতেই নতুন সরকারকে বিদেশি ঋণ পরিশোধ ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ রক্ষা—দুই চ্যালেঞ্জ সামলাতে হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।



















