দীর্ঘ দুই বছর বন্ধ থাকার পর অবশেষে আগামী ১ অক্টোবর (বুধবার) থেকে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে বান্দরবানের রুমা উপজেলার বিখ্যাত কেওক্রাডং পর্বত পর্যটনকেন্দ্র। সোমবার বিকেলে জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি এক গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ ঘোষণা দেন।
গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জেলা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও সমন্বয় কমিটির সিদ্ধান্ত এবং সেনানিবাস ও উপজেলা প্রশাসনের চিঠির আলোকে এই অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে পর্যটকদের ভ্রমণের ক্ষেত্রে ছয়টি শর্তাবলী মেনে চলতে হবে।
শর্তাবলী:
- উন্মুক্ত পর্যটনকেন্দ্র ছাড়া অন্য কোথাও পর্যটকদের যাওয়া নিষিদ্ধ।
- জেলা/উপজেলা প্রশাসনের নিবন্ধিত ট্যুর গাইড ছাড়া ভ্রমণ করা যাবে না।
- পর্যটনকেন্দ্র সংশ্লিষ্ট চেকপোস্ট ও তথ্য সেবাকেন্দ্রে চাহিদা অনুযায়ী তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক।
- নির্দেশনা অমান্য করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তাৎক্ষণিকভাবে অবহিত করতে হবে।
- পাহাড়ি রাস্তায় ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলবে না; আইন ভঙ্গকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে প্রশাসন।
- অযাচিত ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্ট পর্যটন সংস্থার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং প্রয়োজনে পুনরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে।
দীর্ঘদিন পর কেওক্রাডং ভ্রমণের অনুমতি মেলায় পর্যটন ব্যবসায়ীদের মধ্যে উৎসাহ দেখা দিয়েছে। স্থানীয় হোটেল, রেস্তোরাঁ ও পরিবহন খাত নতুন করে প্রস্তুতি নিচ্ছে পর্যটকদের বরণ করতে।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ)-এর তৎপরতা ও নিরাপত্তাজনিত কারণে বান্দরবানের রুমা, থানচি ও রোয়াংছড়ি উপজেলায় পর্যটকদের ভ্রমণ নিষিদ্ধ করে স্থানীয় প্রশাসন। পরবর্তীতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ধাপে ধাপে পর্যটন স্পটগুলো উন্মুক্ত করা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় এবার খুলে দেওয়া হচ্ছে কেওক্রাডং।



















