দেশের বাজারে চালের সরবরাহ ও মূল্য স্থিতিশীল রাখতে সরকার জিটুজি (গভর্নমেন্ট টু গভর্নমেন্ট) ভিত্তিতে চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সোমবার সচিবালয়ে অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভায় খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব নীতিগতভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
এ ছাড়া একই দিনে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভায় জিটুজি ভিত্তিতে বিভিন্ন দেশ থেকে ২ লাখ ১০ হাজার টন সার আমদানির ছয়টি প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ১ হাজার ৭১৯ কোটি ১১ লাখ টাকা।
বৈঠকে বিএডিসি কর্তৃক সার আমদানির পাঁচটি প্রস্তাব পাস হয়। এর মধ্যে চীন থেকে ৪০ হাজার টন ডিএপি সার আমদানিতে ব্যয় হবে প্রায় ৩৭৯ কোটি টাকা। আর মরক্কোর ওসিপি নিউট্রিক্রপস থেকে ৮০ হাজার টন টিএসপি সার এবং ৮০ হাজার টন ডিএপি সার আমদানির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১ হাজার ১৭৬ কোটি টাকা।
একইভাবে বিসিআইসি সৌদি আরবের সাবিক অ্যাগ্রি-নিউট্রিয়েন্টস কোম্পানি থেকে ৩০ হাজার টন ইউরিয়া সার আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে। এতে ব্যয় হবে প্রায় ১৬৫ কোটি টাকা।
এ ছাড়া আশুগঞ্জ গোলচত্বর থেকে সরাইল গোলচত্বর পর্যন্ত সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬৩ কোটি ৮৩ লাখ টাকা, যা ভেরিয়েশন প্রস্তাবের মাধ্যমে অনুমোদিত হয়েছে।



















