রবিবার , ৯ আগস্ট ২০২৬ | ২৫শে শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. ভিডিও

যারা শান্তিশৃঙ্খলা নষ্ট করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে হবে

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
আগস্ট ৯, ২০২৬ ১:৫৪ অপরাহ্ণ

দেশকে এগিয়ে নিতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর গুরুত্বারোপ করে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘যারা শান্তিশৃঙ্খলা নষ্ট করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে’। আজ রোববার দুপুরে চট্টগ্রামের বাঁশখালীর বাহারছড়া এলাকায় ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘দেশের মানুষের জন্য যদি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হয়, বিদেশি এবং দেশি বিনিয়োগকারী যারা আছে, তাদের উৎসাহিত করে যদি কারখানা স্থাপন করতে হয়, তাহলে পূর্বশর্ত হচ্ছে দেশে শান্তিশৃঙ্খলা থাকতে হবে। বিশৃঙ্খলা থাকলে চলবে না।’ তিনি বলেন, ‘দেশীয় বা বিদেশি বিনিয়োগকারী যারা আছে, তারা যখন বিনিয়োগ করবে, তারা তো চাইবে যাতে তার মিল-কারখানার উৎপাদিত পণ্য ঠিকভাবে যেন বন্দর দিয়ে যেতে পারে বা তার কাঁচামাল সঠিকভাবে আসতে পারে। রাস্তাঘাটে যাতে শান্তি থাকে। যদি মিল-কারখানা না চলে সঠিকভাবে, তাহলে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা সম্ভব না। এ জন্য আমাদের সচেতন থাকতে হবে, সতর্ক থাকতে হবে।’

দেশে শিক্ষার পরিবেশের জন্যও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘যদি দেশের সন্তানদের লেখাপড়ার ব্যবস্থা আমাদের তৈরি করতে হয়, সুন্দরভাবে লেখাপড়ার ব্যবস্থা করতে হয়, স্কুল-কলেজ সুন্দরভাবে তৈরি করতে হয়, শিক্ষকদের যদি ট্রেনিং দিতে হয়, ছাত্র-ছাত্রীদের যদি নতুন করে বই দিতে হয়, এই সব ব্যবস্থা যদি করতে হয়, তাহলে আমাদের দেশের আইনশৃঙ্খলা ঠিক রাখতে হবে। একইভাবে সতর্ক থাকতে হবে, আমাদের যারা বিভ্রান্ত করতে চায়, তারা যাতে কোনো সুযোগ না পায়। কারণ, বিভ্রান্তকারীরা যদি বিভ্রান্ত করার সুযোগ পায়, ক্ষতিগ্রস্ত হবে জনগণ। বিভ্রান্তকারী যারা, তারা তো নিজেদের মতন করে চলে যাবে, তারা তো জনগণের সঙ্গে থাকবে না।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘আজকে বাংলাদেশের মানুষকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে আমরা কী আমাদের দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব, নাকি আমরা ঝগড়া-ফ্যাসাদে লিপ্ত থাকব। নাকি আমরা বিভ্রান্তকারীদের সঙ্গে থাকব। এই ব্যাপারে আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’

২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে ৪১ লাখ ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচনের পর এক মাসের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ডের পাইলট প্রজেক্টের কাজে হাত দিয়েছিলাম এবং ইনশা আল্লাহ, আল্লাহর রহমতে, পাইলট প্রজেক্টের কাজ শেষ হয়েছে। সমগ্র বাংলাদেশে এই বছর ২০২৬-২৭ অর্থবছরে আমরা প্রায় ৪১ লাখ পরিবারের মায়ের হাতে আমরা এই ফ্যামিলি কার্ড ইনশা আল্লাহ তুলে দেব।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার উদ্দেশ্য ছিল, লক্ষ্য ছিল, ভাইদের পাশাপাশি যাতে বোনেরাও সংসারের হাল ধরতে পারে। একটি স্বাবলম্বী পরিবার গড়ে তুলতে পারে। সন্তানদের লেখাপড়া দেখতে পারে। সন্তানদের স্বাস্থ্যসেবা যাতে দিতে পারে মায়েরা। সেই জন্য মায়েদের হাতকে শক্তিশালী করার জন্য আমরা এই ফ্যামিলি কার্ডের ব্যবস্থা করেছি। শুধু ফ্যামিলি কার্ডই নয়, ফ্যামিলি কার্ডের পাশাপাশি আমরা কৃষক কার্ডেরও ব্যবস্থা করেছি।’

সমুদ্রকে ব্যবহার করে বাংলাদেশের মানুষের জীবনযাত্রা কীভাবে উন্নত করা যায়, সেটির প্রচেষ্টা চলছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘মিরসরাই থেকে মাতারবাড়ি পর্যন্ত কীভাবে আমরা বিভিন্ন মিল-ফ্যাক্টরি স্থাপন করার মাধ্যমে এই দেশের মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারব, এই দেশের মানুষের ব্যবসা-বাণিজ্যের ব্যবস্থা করতে পারব, সেই পরিকল্পনা কীভাবে গ্রহণ করা যায়, তার জন্য আজকে আমি মাতারবাড়ি গিয়েছিলাম।’

যারা শান্তিশৃঙ্খলা নষ্ট করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে হবে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ রোববার সকাল ১০টা ৫২ মিনিটে কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ি পৌঁছান
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ রোববার সকাল ১০টা ৫২ মিনিটে কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ি পৌঁছানছবি: পিএমও

দেশকে এগিয়ে নিতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর গুরুত্বারোপ করে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘যারা শান্তিশৃঙ্খলা নষ্ট করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে’। আজ রোববার দুপুরে চট্টগ্রামের বাঁশখালীর বাহারছড়া এলাকায় ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘দেশের মানুষের জন্য যদি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হয়, বিদেশি এবং দেশি বিনিয়োগকারী যারা আছে, তাদের উৎসাহিত করে যদি কারখানা স্থাপন করতে হয়, তাহলে পূর্বশর্ত হচ্ছে দেশে শান্তিশৃঙ্খলা থাকতে হবে। বিশৃঙ্খলা থাকলে চলবে না।’ তিনি বলেন, ‘দেশীয় বা বিদেশি বিনিয়োগকারী যারা আছে, তারা যখন বিনিয়োগ করবে, তারা তো চাইবে যাতে তার মিল-কারখানার উৎপাদিত পণ্য ঠিকভাবে যেন বন্দর দিয়ে যেতে পারে বা তার কাঁচামাল সঠিকভাবে আসতে পারে। রাস্তাঘাটে যাতে শান্তি থাকে। যদি মিল-কারখানা না চলে সঠিকভাবে, তাহলে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা সম্ভব না। এ জন্য আমাদের সচেতন থাকতে হবে, সতর্ক থাকতে হবে।’

দেশে শিক্ষার পরিবেশের জন্যও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘যদি দেশের সন্তানদের লেখাপড়ার ব্যবস্থা আমাদের তৈরি করতে হয়, সুন্দরভাবে লেখাপড়ার ব্যবস্থা করতে হয়, স্কুল-কলেজ সুন্দরভাবে তৈরি করতে হয়, শিক্ষকদের যদি ট্রেনিং দিতে হয়, ছাত্র-ছাত্রীদের যদি নতুন করে বই দিতে হয়, এই সব ব্যবস্থা যদি করতে হয়, তাহলে আমাদের দেশের আইনশৃঙ্খলা ঠিক রাখতে হবে। একইভাবে সতর্ক থাকতে হবে, আমাদের যারা বিভ্রান্ত করতে চায়, তারা যাতে কোনো সুযোগ না পায়। কারণ, বিভ্রান্তকারীরা যদি বিভ্রান্ত করার সুযোগ পায়, ক্ষতিগ্রস্ত হবে জনগণ। বিভ্রান্তকারী যারা, তারা তো নিজেদের মতন করে চলে যাবে, তারা তো জনগণের সঙ্গে থাকবে না।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘আজকে বাংলাদেশের মানুষকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে আমরা কী আমাদের দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব, নাকি আমরা ঝগড়া-ফ্যাসাদে লিপ্ত থাকব। নাকি আমরা বিভ্রান্তকারীদের সঙ্গে থাকব। এই ব্যাপারে আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’

২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে ৪১ লাখ ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচনের পর এক মাসের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ডের পাইলট প্রজেক্টের কাজে হাত দিয়েছিলাম এবং ইনশা আল্লাহ, আল্লাহর রহমতে, পাইলট প্রজেক্টের কাজ শেষ হয়েছে। সমগ্র বাংলাদেশে এই বছর ২০২৬-২৭ অর্থবছরে আমরা প্রায় ৪১ লাখ পরিবারের মায়ের হাতে আমরা এই ফ্যামিলি কার্ড ইনশা আল্লাহ তুলে দেব।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার উদ্দেশ্য ছিল, লক্ষ্য ছিল, ভাইদের পাশাপাশি যাতে বোনেরাও সংসারের হাল ধরতে পারে। একটি স্বাবলম্বী পরিবার গড়ে তুলতে পারে। সন্তানদের লেখাপড়া দেখতে পারে। সন্তানদের স্বাস্থ্যসেবা যাতে দিতে পারে মায়েরা। সেই জন্য মায়েদের হাতকে শক্তিশালী করার জন্য আমরা এই ফ্যামিলি কার্ডের ব্যবস্থা করেছি। শুধু ফ্যামিলি কার্ডই নয়, ফ্যামিলি কার্ডের পাশাপাশি আমরা কৃষক কার্ডেরও ব্যবস্থা করেছি।’

সমুদ্রকে ব্যবহার করে বাংলাদেশের মানুষের জীবনযাত্রা কীভাবে উন্নত করা যায়, সেটির প্রচেষ্টা চলছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘মিরসরাই থেকে মাতারবাড়ি পর্যন্ত কীভাবে আমরা বিভিন্ন মিল-ফ্যাক্টরি স্থাপন করার মাধ্যমে এই দেশের মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারব, এই দেশের মানুষের ব্যবসা-বাণিজ্যের ব্যবস্থা করতে পারব, সেই পরিকল্পনা কীভাবে গ্রহণ করা যায়, তার জন্য আজকে আমি মাতারবাড়ি গিয়েছিলাম।’

প্রধানমন্ত্রীর সফরে বাঁশখালীতে ১০০টি অসচ্ছল পরিবারকে নতুন ঘরের চাবি হস্তান্তর করা হয়। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ১৮ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১২ ফুট প্রস্থের প্রতিটি ঘরে দুটি কক্ষ ও পাঁচ ফুট বাই পাঁচ ফুটের একটি সংযুক্ত শৌচাগার রয়েছে। উপকূলীয় অঞ্চলের প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিবেচনায় ঘর তৈরিতে আরসিসি পিলার, কাঠ ও টিন ব্যবহার করা হয়েছে। চাবি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ১৫ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও শিশুকে আর্থিক সহায়তার চেক প্রদান করা হয় এবং জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত আরও ২০০টি পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

আজ সকাল ১০টা ৫২ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারীকে হেলিকপ্টার কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ি পৌঁছে। প্রধানমন্ত্রীকে হেলিপ্যাডে অভ্যর্থনা জানান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হেলিকপ্টার থেকে নামেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

এর আগে সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে গুলশানের বাসা থেকে রওনা হয়ে প্রধানমন্ত্রী তেজগাঁও বিমানবন্দরে যান। সেখান থেকে সকাল সোয়া ৯টায় হেলিকপ্টার যোগে তিনি মাতারবাড়ির উদ্দেশে রওনা হন।

প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি

বেলা ২টায় ফটিকছড়ির আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ, বিকেল সোয়া ৩টায় হাটহাজারীর আল জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় আল্লামা শাহ আহমদ শফীর কবর জিয়ারত, বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে হাটহাজারী ডাকবাংলোয় যাত্রাবিরতি, বিকেল ৫টায় হাটহাজারী সরকারি কলেজ মাঠে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের অনুষ্ঠানে যোগদান, সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে চট্টগ্রামের ‘রেডিসন ব্লু চট্টগ্রাম বে ভিউ’ হোটেল মিলনায়তনে সাংগঠনিক সভায় যোগদান। কর্মসূচি শেষ করে আজ রাত সাড়ে ৯টায় হজরত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে বিমানে ঢাকায় ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী।

সর্বশেষ - জাতীয়

পদ্মা নদীর ভয়াবহ রূপে বিপর্যস্ত জনজীবন

বিনিয়োগে নতুন সুবিধা আনছে ওমানের ‘গোল্ডেন ভিসা’

অবৈধ সংযোগ বন্ধ ও নিরবিচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহের দাবিতে স্মারকলিপি

দ্রুত নির্বাচনসহ ৩ দাবিতে প্রধান উপদেষ্টাকে অস্ট্রেলিয়ার ৪৩ সিনেটর-এমপির চিঠি

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন চায় অন্তর্বর্তী সরকার

সিলেটে পুকুর থেকে প্রায় দেড় লাখ ঘনফুট সাদাপাথর উদ্ধার

মানবতাবিরোধী অপরাধ এবার আসামি হচ্ছেন মাকসুদ কামাল-জাফর ইকবাল

তারেক রহমানের প্রস্তাব: রমজানের আগেই হোক জাতীয় নির্বাচন

বড় কোনো সংকট না হলে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত বিএনপি : রিজভী

জ্বালানি সংকটে মালিতে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ