শিল্পী-সাহিত্যিকদের মৃত্যুর পর কেন অনুষ্ঠান হয়, অথচ জীবদ্দশায় কেন কম করা হয়—এ নিয়ে কৌশলগত ব্যাখ্যা দিয়েছেন সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। শনিবার বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে তিনি বলেন, সরকার ইতিমধ্যেই কিংবদন্তি শিল্পীদের জীবদ্দশায় সম্মান জানাতে পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।
ফারুকী জানান, শিল্পকলা একাডেমি একটি ক্যালেন্ডার তৈরি করছে, যেখানে শিল্প-সংস্কৃতির বিভিন্ন শাখার মায়েস্ত্রোদের উদযাপন করার পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি উদাহরণ হিসেবে বলেন, সাবিনা ইয়াসমিনকে নিয়ে ইতিমধ্যেই একটি অনুষ্ঠান হয়েছে এবং ৮ অক্টোবর লালবাগ কেল্লায় উস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁর জন্মদিন উপলক্ষে ধ্রুপদী সন্ধ্যার আয়োজন থাকবে।
তিনি আরও বলেন, সরকার শিল্পী-সাহিত্যিকদের পাশে নীরবে দাঁড়িয়েছে, তবে ফটো তুলে প্রচার করা হয়নি। “এটি আমাদের কাছে অসম্মানজনক মনে হয়েছে,” বলেন তিনি।
সংস্কৃতি উপদেষ্টা জানান, তারা অল্প সময়ের সরকার হলেও কালচারাল ইনক্লুসিভনেস ও জুলাই ন্যারেটিভ নিয়ে কাজ করছেন এবং শিল্পকলা একাডেমিতে গান-নাচের স্কুল, ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম, থিয়েটার, মিউজিক ফেস্টিভাল ও বিয়েনালে রিভাইটালাইজেশন–এর মতো বড় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আশাবাদ প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগগুলো শুরু হয়ে গেছে এবং পরবর্তী সরকার এসে এগুলোকে আরও এগিয়ে নেবে। একই সঙ্গে ব্যক্তিগত আক্ষেপ জানিয়ে বলেন, “আমার নিজের ছবি না বানানোর চেয়ে বড় যন্ত্রণা আর কিছু নেই।”



















