বৃহস্পতিবার , ১৯ জুন ২০২৫ | ১৭ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. ভিডিও
📢 এখানে আপনার বিজ্ঞাপন দিন
বিজ্ঞাপনের আকার সর্বোচ্চ: 1080 × 200 px

পরিবেশের ক্ষতি করে কোনো উন্নয়ন নয়

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
জুন ১৯, ২০২৫ ১:৫০ পূর্বাহ্ণ

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস উন্নয়ন প্রকল্প পরিকল্পনার ক্ষেত্রে নদীর পানিপ্রবাহ যাতে নিরবচ্ছিন্ন থাকে তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন। বুধবার (১৮ জুন, ২০২৫) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ‘টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া সমন্বিত অর্থনৈতিক করিডোর উন্নয়ন’ প্রকল্প নিয়ে আয়োজিত এক বৈঠকে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি এই নির্দেশ দেন।

বৈঠকে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর হো ইউন জোং ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) কর্মকর্তাদের একটি দল এই প্রকল্পের বিস্তারিত রূপকল্প, কৌশল এবং বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া উপস্থাপন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী, এসডিজি–বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ এবং মুখ্য সচিব সিরাজ উদ্দিন মিয়া।

প্রধান উপদেষ্টার তিনটি মূল নির্দেশনা:

বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তিনটি বিষয়ের ওপর জোর দিতে নির্দেশ দেন:

১. নদীপ্রবাহকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব: “আমাদের অবশ্যই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে আমাদের নদীপ্রবাহকে। বাংলাদেশ একটি ব-দ্বীপ। আমরা কোনোভাবেই আমাদের পানিপ্রবাহকে বাধাগ্রস্ত করতে চাই না।” ২. জনসংখ্যা ও বন্যা বিবেচনা: “যেকোনো উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ওই এলাকার জনসংখ্যা পরিস্থিতি বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন। আমাদের দেশ বন্যাপ্রবণ। তাই পানিপ্রবাহ বন্ধ করে এমন প্রকল্প বাস্তবায়ন করলে বন্যা পরিস্থিতি আরও খারাপ করে তুলবে। বন্যার সময় আমাদের দেশের মানুষ উঁচু রাস্তা, সেতু এবং রেলপথে আশ্রয় নেয়। সুতরাং সেতু শুধু নির্মাণ করলে হবে না, এটি জনগণের জন্য আশ্রয় হচ্ছে নাকি বিপদ ডেকে আনছে সেটাও বিবেচনা করতে হবে।” 3. আন্তর্জাতিক সংযোগ: “এবং তৃতীয়টি হলো আন্তর্জাতিক সংযোগ। আমরা এ অঞ্চলে একটি ইনভেস্টমেন্ট হাব তৈরি করতে চাই। সেজন্য প্রকল্প এমন হতে হবে যা নেপাল, ভুটানসহ প্রতিবেশী দেশগুলোকেও সংযুক্ত করবে।”

বৈঠকে এই উন্নয়ন প্রকল্পে পানি বিশেষজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত করতে এবং একটি মাস্টারপ্ল্যান তৈরিরও নির্দেশ দেন তিনি।

উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান প্রধান উপদেষ্টার কথার প্রতিধ্বনি করে বলেন, “এর আগে হাওর এলাকায় বিশাল সড়ক নির্মাণ হয়েছে কিন্তু পরে দেখা গেল সেটি ওই অঞ্চলের পুরো ইকোসিস্টেমকে ধ্বংস ভেঙে দিয়েছে। মানুষ মারাত্মকভাবে বন্যার কবলে পড়েছে। সুতরাং যেকোনো প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে পরিবেশকে গুরুত্ব দিয়েই বিবেচনা করতেই হবে।”

সর্বশেষ - শিক্ষা

হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি পায়নি বাংলাদেশি জাহাজ

আপনাদের ভালোবাসা-সংহতি আমাদের সান্ত্বনা ও শক্তি জুগিয়েছে: তারেক রহমান

কাপাসিয়ায় ৫ খুন: আপনজনের খুনি কীভাবে হয়ে ওঠে মানুষ

গাজায় যুদ্ধবিরতির জন্য ট্রাম্পের ২১ দফা পরিকল্পনা

এবার সরকারের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন নুর

ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই হবে উৎসবমুখর নির্বাচন: প্রধান উপদেষ্টা

ডিআরইউ থেকে আটক লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা

‘ট্রাইব্যুনালে বস্তায় বস্তায় টাকা লেনদেন হচ্ছে’ মন্তব্য, ব্যাখ্যা দিতে হাজিরার নির্দেশ ব্যারিস্টার ফুয়াদকে

ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে আফগান শরণার্থীদের ভয়াবহ সংকট

চাঁদ দেখা গেছে, সৌদি আরবে কাল ঈদ