শুক্রবার , ২৭ জুন ২০২৫ | ৫ই বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. ভিডিও

কেরানীগঞ্জে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভেজাল বিদেশি পণ্য জব্দ

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
জুন ২৭, ২০২৫ ৩:৫৭ পূর্বাহ্ণ

পুরান ঢাকার লালবাগ ও চকবাজারে অনলাইনে নকল এবং ভেজাল বিদেশি প্রসাধনী পাইকারি ও খুচরা বিক্রি করে আসছিল একটি চক্র। গত মঙ্গলবার (২৪ জুন, ২০২৫) মধ্যরাতে ঢাকার উপকণ্ঠ কেরানীগঞ্জের পুরাতন ভাড়ালিয়ায় অভিযান চালিয়ে এই চক্রের এক সদস্য মো. হৃদয় হোসেন (২৫)-কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এ সময় তাঁর কাছ থেকে ৯ ধরনের নকল ও ভেজাল প্রসাধনী জব্দ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ জুন, ২০২৫) সিআইডির পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন খবরের ভিত্তিতে সিআইডির একটি বিশেষ দল ভেজাল প্রসাধনী সামগ্রী কারখানায় পণ্য উৎপাদন ও মোড়কজাত করার সময় হৃদয়কে গ্রেপ্তার করে। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মোট ৯ ধরনের ১ হাজার ৭০ প্যাকেট বিভিন্ন রকমের নকল ও ভেজাল প্রসাধনী এবং ২০০টি খালি মোড়ক জব্দ করা হয়। তাঁর বাড়ি কেরানীগঞ্জের আঁটিবাজার এলাকার পুরাতন ভাড়ালিয়ায়। হৃদয়ের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ বিদেশি ভেজাল প্রসাধনী ও মোড়ক উদ্ধার করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে কেরানীগঞ্জ থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হয়েছে।


ভেজাল পণ্যের উৎস ও বিপণন

সিআইডির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয়ভাবে এসব বিদেশি প্রসাধনী উৎপাদিত হতো, এ বিষয়ে গ্রেপ্তার হৃদয়ের কাছে কোনো কাগজপত্র নেই। উৎপাদিত ভেজাল প্রসাধনী ঢাকার লালবাগ ও চকবাজারের বিভিন্ন অসাধু পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীর কাছে সরবরাহ করত প্রতারক চক্রটি। এমনকি অনেক অসাধু ব্যবসায়ী সেই ভেজাল পণ্য সস্তায় কিনে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চোখধাঁধানো বিজ্ঞাপন দিয়ে বিক্রি করতেন।

উদ্ধারকৃত ভেজাল পণ্যের মধ্যে রয়েছে: ১৪০টি কেম কট থাই, ১৪০টি এল অ্যাভিনিউ হোয়াইটনিং বডি ক্রিম, ১৭০টি অর্গানিক হেয়ারফর অয়েল, ১৪০টি বডি হোয়াইটনিং ক্রিম, ১৪০টি কেম বো হোয়াইটনিং বডি ক্রিম, ১৪০টি অজুফি হোয়াইটনিং বডি ক্রিম, ৬০টি হোয়াইটনিং বডি লোশন, ৫০টি হোয়াইটনিং বডি লোশন, ৯০টি কোরিয়ান ফেয়ার লুক পারমান্যান্ট হোয়াইটনিং বডি লোশন। এছাড়াও ২০০টি নিউ ফ্রেশ অ্যান্ড হোয়াইট, স্কিন বডি লোশনের মোড়ক জব্দ করা হয়েছে।


প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও চলমান অভিযান

সিআইডির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হৃদয় হোসেন জানান, এসব প্রসাধনী বাংলাদেশে উৎপাদন বা আমদানি হয় না। চক্রের অন্য সদস্যরা বিদেশের লাগেজ পার্টির মাধ্যমে স্যাম্পল এনে তা কপি করেন এবং স্থানীয়ভাবে উৎপাদন করেন। তাঁদের কোনো বৈধ কাগজপত্র নেই। এসব প্রসাধনী তৈরি করে তিনি লালবাগ ও চকবাজারের অসাধু ব্যবসায়ীদের কাছে সরবরাহ করতেন। পরে তাঁরা বিদেশি প্রসাধনী বলে স্থানীয় পাইকারি ও খুচরা ক্রেতাদের কাছে চড়া দামে বিক্রি করেন। এছাড়াও অনেক গ্রাহক তাঁর কাছ থেকে পণ্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে বিক্রি করেন।

প্রতারক চক্রের সহযোগীদের শনাক্ত করে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সিআইডি।

সর্বশেষ - জাতীয়

দক্ষিণ ঢাকায় ১৬ ঘণ্টার মধ্যে স্বস্তি ফেরাতে ইশরাকের পদক্ষেপ

সালমান শাহ হত্যা মামলায় আসামিদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

কানাডায় নৌকাডুবি: বাংলাদেশ বিমানের ক্যাপ্টেন ও বিজিএমইএ’র সাবেক সহ-সভাপতির মৃত্যু

রেকর্ডসংখ্যক ভারতীয়কে ফেরত পাঠাচ্ছে কানাডা

রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা কেটেছে, ঐকমত্যে রমজানের আগে নির্বাচন

ভারতে সংখ্যালঘুদের ওপর সহিংসতায় উদ্বেগ বাংলাদেশের

জামায়াতের আন্দোলন সুচিন্তিত রাজনৈতিক প্রতারণা: নাহিদ ইসলাম

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাসহ ৪ জনের ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

টকশোতে ‘কটূক্তিমূলক’ বক্তব্য প্রচারে ইসির ‘না

ডাকসু নির্বাচনে ভোটারদের জন্য ঢাবি ক্যাম্পাসে শাটল সার্ভিস চালু