তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার নিচে নেমে এলেও তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগ কাটেনি। লালমনিরহাটে গতকাল সকাল ৯টায় তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, ব্যারাজের সব জলকপাট খোলা রয়েছে এবং উজানে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় আগামী ৪৮ ঘণ্টায় পুনরায় পানি বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে। এর ফলে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর ও কুড়িগ্রামের নিম্নাঞ্চলে নতুন করে বন্যার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
কুড়িগ্রামে পাহাড়ি ঢল ও বর্ষণে ১৬টি নদনদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে, যা নিম্নাঞ্চলে বন্যার আতঙ্ক তৈরি করেছে। ফসল ও সবজি ক্ষেত প্লাবনের শঙ্কা রয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, সতর্ক অবস্থায় থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
বগুড়ায় টানা বৃষ্টিতে শিবগঞ্জ উপজেলার ধোন্দাকোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশের সড়ক ধসে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে স্থানীয় তিন গ্রামের মানুষের যাতায়াত ব্যাহত হচ্ছে এবং স্কুল ভবন হুমকিতে পড়েছে। শেরপুরে করতোয়া নদীর তীরে জিও ব্যাগ ধসে পড়ায় সড়ক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
অন্যদিকে খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটিতে পানি কমতে শুরু করায় স্বস্তি ফিরছে। মহালছড়িতে সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়েছে এবং সেনাবাহিনী ও প্রশাসন দুর্গত পরিবারগুলোকে সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে।



















