মঙ্গলবার , ৭ অক্টোবর ২০২৫ | ২০শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. বানিজ্য/অর্থনীতি
  2. ভিডিও

প্রবাসী আয়ে কর বসাতে চায় আইএমএফ

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
অক্টোবর ৭, ২০২৫ ২:৫৭ পূর্বাহ্ণ

দেশের প্রবাসীরা রেমিট্যান্স পাঠিয়ে অর্থনীতির চাকা সচল রাখলেও এবার করের চাপের মুখে পড়তে পারেন।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) থেকে ঋণের কিস্তি পেতে বাংলাদেশের উপর শর্ত হিসেবে রেমিট্যান্সে কর আরোপের প্রস্তাব উঠেছে।

এ পর্যন্ত প্রবাসীরা বৈধ পথে অর্থ পাঠানোর জন্য আড়াই শতাংশ প্রণোদনা পেতেও, আইএমএফের প্রস্তাবকে অনেকেই “আত্মঘাতী” বলে মনে করছেন।
এ ছাড়াও সংস্থাটি লোকসানি ব্যবসার ওপরও ন্যূনতম কর বাড়ানোর শর্ত দিয়েছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) জানিয়েছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে এসেছে ৩০.৩২ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স, যা আগের বছরের তুলনায় ২৬.৮০% বেশি। এই প্রবাহ বজায় রাখতে সরকারের জন্য রেমিট্যান্সে কর আরোপ “পেটের লাথি” সমতুল্য বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

এ বিষয়ে এনবিআরের করনীতি বিভাগের সদস্য ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী বলেছেন, “আইএমএফ অনেক কিছু প্রস্তাব করে। কিন্তু আমাদের অর্থনৈতিক বাস্তবতায় সব কিছু গ্রহণযোগ্য নয়। জাতীয় স্বার্থকে প্রথমে ভাবতে হবে।”
এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান যোগ করেন, “বর্তমানে আমাদের ব্যালান্স অব পেমেন্ট ও রিজার্ভে সমস্যা রয়েছে। তাই আইএমএফ চাইলেও আমরা রেমিট্যান্সে কর আরোপে রাজি হব না।”

অপরদিকে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট অনুযায়ী ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বছরে ৩ কোটি টাকার বেশি টার্নওভারে ন্যূনতম ০.৬০% কর দিতে বাধ্য। ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের ওপর এ করের চাপ বৃদ্ধি পাবে বলে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর আশঙ্কা।

ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, “ন্যূনতম কর বৃদ্ধি করলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।”
এনবিআর চেয়ারম্যান আশ্বাস দিয়েছেন, আন্তর্জাতিক ট্যাক্স নীতি অনুযায়ী ন্যূনতম কর অবশ্যই গ্রহণযোগ্য, তবে সবার আগে দরকার শৃঙ্খলা ও সঠিক কর আদায়।

আইএমএফের পরবর্তী মিশন অক্টোবরে ঢাকায় এসে ঋণের ষষ্ঠ কিস্তি ছাড়ের আগে রাজস্ব আদায় ও সরকারের ডিজিটাল অটোমেশনসহ বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

সর্বশেষ - জাতীয়