বুধবার , ২ জুলাই ২০২৫ | ২০শে কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. ভিডিও
📢 এখানে আপনার বিজ্ঞাপন দিন
বিজ্ঞাপনের আকার সর্বোচ্চ: 1080 × 200 px

‘অ্যাড দেখে আয়’ এক বিশাল প্রতারণার জাল

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
জুলাই ২, ২০২৫ ৭:৩৭ পূর্বাহ্ণ

বিজ্ঞাপন দেখে আয়? সতর্ক থাকুন! ফেসবুকে সক্রিয় প্রতারক চক্র, প্রকাশ পেল ডিসমিসল্যাবের গবেষণা

‘বিজ্ঞাপন দেখে ঘরে বসে মাসে ১০ হাজার টাকা আয় করুন’—ফেসবুকে এমন লোভনীয় বিজ্ঞাপন দেখে প্রতারণার শিকার হচ্ছেন অসংখ্য মানুষ। সম্প্রতি সাতক্ষীরার এক কলেজশিক্ষার্থী ১০ হাজার টাকা জমা দিয়েও নিজের অ্যাকাউন্ট ব্লক হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে সন্দিহান হয়ে পড়েন। এই ঘটনা নতুন নয়; অনলাইন ভেরিফিকেশন ও মিডিয়া গবেষণা প্ল্যাটফর্ম ডিসমিসল্যাব তাদের নতুন গবেষণায় এমন প্রতারণামূলক ওয়েবসাইটের ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, এসব প্রতারক চক্র ভিন্ন ভিন্ন নামে ফেসবুক পেজ ও ওয়েবসাইট খুললেও তাদের ডোমেইন নাম, হোস্টিং এবং আইপি ঠিকানা প্রায়শই এক। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব ওয়েবসাইটের পেছনে সুসংগঠিত একটি চক্র কাজ করে, যারা একই কৌশলে বারবার সাধারণ মানুষের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। দৃক আইসিটি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম আলতাফ হোসেন এটিকে ‘সুসংগঠিত এক বা একাধিক সংঘবদ্ধ চক্রের কাজ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

প্রতারণার কৌশল: ডিসমিসল্যাব মেটা অ্যাড লাইব্রেরিতে ‘অ্যাড দেখে ইনকাম করুন’ ও ‘ইনকাম ওয়েবসাইট’ কিওয়ার্ড সার্চ করে ৩১টি পেজ থেকে অন্তত ২৫টি প্রতারণামূলক ওয়েবসাইট খুঁজে পেয়েছে। এসব ওয়েবসাইটের মূল লগইন পেজে একটি বৃত্তাকার আইকন এবং মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের লোগো থাকে। বেশিরভাগ ওয়েবসাইট ২০২৫ সালের এপ্রিল-মে মাসে নিবন্ধন করা এবং একই হোস্টিং ও রেজিস্ট্রার ব্যবহার করে।

প্রতারকরা মানুষকে ফাঁদে ফেলতে জনপ্রিয় ইউটিউবারদের ভিডিওর অংশবিশেষ ব্যবহার করে বিজ্ঞাপন তৈরি করে। এসব বিজ্ঞাপনে প্রাথমিকভাবে ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট খুলে অল্প টাকা দিয়ে প্যাকেজ কেনার কথা বলা হয়, যেমন ৫০০ টাকা জমা রাখলে প্রতিদিন ২০০ টাকা বা ১০০০ টাকা জমা রাখলে প্রতিদিন ৪০০ টাকা আয়ের প্রলোভন দেখানো হয়। অথচ, ব্যবহৃত ইউটিউব ভিডিওগুলোর মূল উদ্দেশ্য ছিল ফেসবুক রিয়্যাকশন ভিডিও বানিয়ে আয় করার কৌশল শেখানো, কোনো ওয়েবসাইটে নিবন্ধন বা অর্থ জমা করার কথা সেখানে ছিল না।

প্রতারক চক্র নিজেদের ফাঁদ ঢাকতে ভুয়া ইতিবাচক মন্তব্য ব্যবহার করে। ডিসমিসল্যাবের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ৪ হাজার ৮০৯টি মন্তব্যের মধ্যে ৭৯% একই ইতিবাচক মন্তব্য, যার বেশিরভাগই ভুয়া প্রোফাইল থেকে করা। এসব ভুয়া অ্যাকাউন্টে পোস্ট থাকে না, বন্ধুর সংখ্যা ৫০-এর নিচে এবং ‘অ্যাবাউট’ অংশ ফাঁকা থাকে। কয়েক দিন পরই এসব প্রতারণামূলক পেজ নিষ্ক্রিয় হয়ে যায় এবং নতুন নামে আবার সক্রিয় হয়।

ডিজিটাল সাক্ষরতা এবং ব্যক্তিগত সচেতনতার অভাবকে এ ধরনের প্রতারণার প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন বিশেষজ্ঞরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক বি এম মইনুল হোসেন বলেছেন, জনসচেতনতা তৈরিতে রাষ্ট্রীয় ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রচারের প্রয়োজন রয়েছে।

সর্বশেষ - শিক্ষা

নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী চীন: বিএনপি মহাসচিব

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন চায় অন্তর্বর্তী সরকার

তাপমাত্রা বাড়তে পারে, কিছু এলাকায় বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে

শাহরুখকে ফিফা প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু: ডেঙ্গু মোকাবিলায় বিশেষ নজর

অনিশ্চিত বিশ্বে আস্থা সংকটে এশিয়া, সমাধান অপরিহার্য

নিশ্চয়ই আল্লাহ সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান : তারেক রহমান

বন্যা পরিস্থিতির জেরে তিন বোর্ডে স্থগিত এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা

‘সাত মাসে জাতির সঙ্গে ১৭ বার প্রতারণা করেছে বিএনপি’: হাসনাত আবদুল্লাহ

ইয়েমেনে হামলার জবাবে ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ