নেপালে জেন-জি প্রজন্মের নেতৃত্বে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ভয়াবহ সহিংসতায় রূপ নিয়েছে। রাজধানী কাঠমান্ডুসহ বিভিন্ন স্থানে মন্ত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বাড়িতে হামলা চালানো হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের শীর্ষ নেতাদের বাসভবনও বিক্ষোভকারীদের টার্গেটে পড়ে।
সহিংসতায় বাসায় অবরুদ্ধ হয়ে পড়া মন্ত্রীরা সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার রেসকিউ দ্বারা উদ্ধার হন। এক ভিডিওতে দেখা যায়, দড়ি আঁকড়ে ধরে তারা হেলিকপ্টারে উঠার চেষ্টা করছেন। ঘন কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী পুরো এলাকায় দৃশ্যমান ছিল।
ঘটনার সূত্রপাত নেপালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা জারির পর। দ্রুত বিক্ষোভ সহিংসতায় রূপ নেয়; সরকারি-বেসরকারি ভবনে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর চালানো হয়। এই প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি পদত্যাগ করেন এবং জরুরি কারফিউ জারি করে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়।
বিক্ষোভকারীরা তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রী পৃথী সুব্বা গুরুঙ্গ, উপপ্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী বিষ্ণু পাউডেল, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের গভর্নর বিশ্ব পাউডেল ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখকের বাড়িতে হামলা চালান। এক ভিডিওতে অর্থমন্ত্রী বিষ্ণু পাউডেলকে রাস্তায় ধাওয়া দিয়ে মারধরের দৃশ্য ধরা পড়ে।
নেপাল সেনাবাহিনী পুরো রাজধানীজুড়ে কঠোর অবস্থানে আছে এবং টহল অব্যাহত রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে দেশের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা আরও গভীর হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়।



















