সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্তে নতুন পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স। সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে টাস্কফোর্স জানিয়েছে, সাগর ও রুনির শরীরে একাধিক ক্ষত ছিল, যার কারণে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়। তাঁদের মৃত্যুর আগে দীর্ঘ সময় ক্ষতসহ জীবিত থাকার বিষয়টিও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজী ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে তদন্তের অগ্রগতি প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়।
প্রতিবেদনের ‘বিশেষ পর্যবেক্ষণ’ অংশে বলা হয়েছে, সাগর ও রুনির শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোতে উল্লেখযোগ্য আঘাতের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। হত্যাকাণ্ডের ধরন পেশাদার খুনিদের অপরাধের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলেও পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ছাড়া তাঁদের ঘাড়, পিঠ ও চোখের নিচে আঘাতের চিহ্ন ছিল। অপরাধস্থলের পরিস্থিতি এবং ভুক্তভোগীদের শরীরের ক্ষত বিশ্লেষণ করে টাস্কফোর্সের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, হত্যাকারীরা তাড়াহুড়া করেনি।
বিভিন্ন সংস্থার অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত শেষ করতে আরও ছয় মাস সময় দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী আদেশের জন্য আগামী ২৯ এপ্রিল দিন ধার্য করেছেন আদালত।


















