বৃহস্পতিবার , ২৬ জুন ২০২৫ | ১৭ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. ভিডিও
📢 এখানে আপনার বিজ্ঞাপন দিন
বিজ্ঞাপনের আকার সর্বোচ্চ: 1080 × 200 px

ইলিশের দাম কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে জেলা প্রশাসন

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
জুন ২৬, ২০২৫ ১০:২৬ পূর্বাহ্ণ

চাঁদপুরে ইলিশের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে জেলা প্রশাসন মৎস্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছে। জেলা প্রশাসকের এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগে স্থানীয় ক্রেতারা বেশ খুশি হলেও, আড়তদার ও ব্যবসায়ীরা এতে কিছুটা হতাশ হয়ে পড়েছেন।

জেলা প্রশাসনের পাঠানো চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ইলিশ উৎপাদনে তেমন কোনো খরচ নেই। এটি প্রাকৃতিকভাবেই উৎপন্ন হয়; এর জন্য কোনো খাবারের ব্যয়, ওষুধ বা বিশেষ পরিচর্যার প্রয়োজন হয় না। এমন পরিস্থিতিতে ইলিশের দাম এত বেশি হওয়ার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। ক্রেতাদের স্বার্থ রক্ষায় ইলিশের একটি যৌক্তিক মূল্য নির্ধারণের জন্য মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।

জেলা মৎস্য দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনায় উৎপাদিত ইলিশ তার অসাধারণ স্বাদের জন্য বিশেষ পরিচিত। ২০১৭ সালে সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে “ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর” শীর্ষক ব্র্যান্ডিং ঘোষণা করে। তবে অভিযোগ উঠেছে যে, এই ব্র্যান্ডিংকে পুঁজি করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী নিজেদের ইচ্ছামতো দাম বাড়িয়ে রূপালি ইলিশকে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে নিয়ে যাচ্ছেন।

ব্যবসায়ী ইউসুফ বন্দুকশী ও সম্রাট বেপারী এ বিষয়ে বলেন, ইলিশ বাংলাদেশের জাতীয় মাছ। চাঁদপুর ছাড়াও চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনা, এবং ঝালকাঠি অঞ্চলেও প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ে। তবে চাঁদপুরের ইলিশের স্বাদ বেশি হওয়ায় এখানে দামও বেশি চাওয়া হয়। তারা স্বীকার করেন যে, জেলা প্রশাসক জনগণের কথা ভেবে সরকারের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন, যা একটি ভালো উদ্যোগ। তবে, ইলিশ একটি কাঁচামাল এবং দ্রুত পচনশীল পণ্য হওয়ায় এর দাম দৈনিক আমদানি-রপ্তানির ওপর নির্ভর করে; তাই এটি ব্যবসায়ীদের জন্য কিছুটা দুশ্চিন্তার কারণ।

স্থানীয় ক্রেতা দেলোয়ার হোসেন ও জসিমউদ্দিন মাতাব্বর তাদের মতামত ব্যক্ত করে বলেন, ইলিশ চাষ ছাড়াই বড় হয় এবং এর জন্য কোনো বাড়তি খরচ নেই, অথচ দাম আকাশছোঁয়া। তারা বলেন, সরকার মা-ইলিশ রক্ষায় অভয়াশ্রম ঘোষণা করে এবং জেলেদের সহায়তাও দেয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত জেলেরা মাছ ধরে তা বিক্রি করেই লাভ করে। তাই, যদি সরকার ইলিশের একটি নির্ধারিত দাম ঠিক করে দেয়, তাহলে তাদের মতো সাধারণ মানুষও ইলিশ কিনে খাওয়ার সুযোগ পাবে।

চাঁদপুর মৎস্য ও বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শবে বরাত সরকার “মৎস্য আড়তে সিন্ডিকেট নেই” এই ধারণাকে ভুল আখ্যা দেন। তিনি বলেন, ইলিশ কাঁচামাল এবং দ্রুত নষ্ট হওয়ার যোগ্য পণ্য হওয়ায় এর দাম প্রতিদিনের বাজার পরিস্থিতি অনুযায়ী ওঠানামা করে। তার মতে, একজন ব্যবসায়ী প্রতি কেজিতে ৫০ টাকা লাভ করলে সেটি সিন্ডিকেট নয়।

চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন বলেছেন, অন্যান্য জেলার তুলনায় চাঁদপুরে ইলিশের দাম অনেক বেশি এবং বিক্রেতারা নিজেদের ইচ্ছামতো দাম হাঁকান। তিনি আবারও জোর দিয়ে বলেন, যেহেতু ইলিশ উৎপাদনে তেমন কোনো খরচ নেই, তাই এর মূল্য নির্ধারণের যৌক্তিকতা যাচাই করে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনতে মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ - শিক্ষা

পদ্মা সেতুতে একদিনে সর্বোচ্চ টোল আদায়, ছাড়িয়েছে ৫ কোটি টাকা

দুর্গাপূজায় উপকূলীয় ১৪৪ মণ্ডপে নিরাপত্তায় ৩৫০০ কোস্ট গার্ড সদস্য

জ্বালানি সংকটে মালিতে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ

মিটফোর্ড হত্যাকাণ্ড: বিএনপি’র প্রতিবাদ ও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

সিলেট হয়ে ঢাকায় ফিরবেন বেগম খালেদা জিয়া

সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠালো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৫১২

মির্জা ফখরুল আগামী বছরের মধ্যে ঢাকায় ৫০ কোটি লিটার নিরাপদ পানি সরবরাহ সম্ভব

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের যুক্তরাজ্য সফর: রাজা চার্লসের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও ‘হারমনি অ্যাওয়ার্ড’ গ্রহণ

ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলার পরিকল্পনায় ট্রাম্পের নীতিগত অনুমোদন