শুক্রবার , ১৮ জুলাই ২০২৫ | ১৭ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. রাজনীতি
  2. ভিডিও
📢 এখানে আপনার বিজ্ঞাপন দিন
বিজ্ঞাপনের আকার সর্বোচ্চ: 1080 × 200 px

বিএনপিকে নিশ্চিহ্ন করার চেষ্টা করবেন না

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
জুলাই ১৮, ২০২৫ ৩:২০ অপরাহ্ণ

অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, “এক দলকে কোলে করে রাখবেন, আরেক দলকে কাঁধে রাখবেন- বিএনপিকে নিশ্চিহ্ন করার প্রোগ্রাম (কর্মসূচি) করবেন না। আমরা সহযোগিতা করছি, দ্রুত নির্বাচন দিন। দেশে শান্তি ফিরবে। না দিলে আমরা ভাবব, দেশকে অশান্ত করার প্রক্রিয়া আপনারাই করছেন দীর্ঘদিন ধরে।”

আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত মৌন মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন। জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের শহিদদের স্মরণে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি এই মৌন মিছিলের আয়োজন করে।

মির্জা আব্বাস শহীদদের আত্মত্যাগ নিয়ে ‘রাজনৈতিক ব্যবসা’ চলছে উল্লেখ করে আক্ষেপ করেন। তিনি বলেন, “শহিদদের জন্য মাঝে মাঝে আমার খুব আফসোস হয়, আমার খুব কষ্ট হয়। আমিও আন্দোলনের মাঠে ছিলাম, গুলির মুখেই ছিলাম, এই মঞ্চেই ছিলাম। আমার মনে হচ্ছে আমার যে ভাইগুলো শাহাদাত বরণ করেছেন তারা যদি আজ কেউ একজন বেঁচে থাকতেন কিংবা তারা যদি বুঝতে পারতেন যে তাদের শাহাদাতবরণকে নিয়ে, তাদের লাশ নিয়ে তাদের আত্মীয়-স্বজনকে নিয়ে যেভাবে আজকে ব্যবসা-বাণিজ্য চলছে, রাজনৈতিক ব্যবসা চলছে, তারা লজ্জা পেতেন। তারা দেখতে পেতেন, তারা যে কারণে জান দিয়েছিলেন সেগুলোর সঠিক বাস্তবায়ন হচ্ছে না।”

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য আরও বলেন, “পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে ওই ঘটনাগুলোকে নিয়ে বিশেষ কয়েকটি দল রাজনীতি করছে এবং তাদের বিক্রি করে রাজনৈতিকভাবে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার চেষ্টা করছে। কিছু হলেই বলেন আন্দোলনের শহিদ, আন্দোলনের শহিদ। আরে ভাই জুলাই আন্দোলনের শহিদদের সম্মান দেখান। তারা তো কোনো একক ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলকে সমর্থন দেয় নাই। তারা সারাদেশের মানুষকে মুক্ত করার জন্য জীবন দিয়েছে।”

তিনি বলেন, “আমরা সংগ্রাম করেছি, যুদ্ধ করেছি, জেলে গিয়েছি, কিন্তু সেগুলোর প্রতিদান নেই, আমরা চাইও না। আজকে তাদেরকে ভিত্তি করে একটি দল প্রতিষ্ঠিত হওয়ার চেষ্টা করছে।”

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমির ফয়জুল করীমের প্রতি ইঙ্গিত করে মির্জা আব্বাস বলেন, “একজন তথাকথিত পীর সাহেব বলেছেন, জামায়াতের ছোঁয়া যেখানে লাগবে সেই জায়গায় পচে যাবে। মনে আছে কি আপনাদের কথাটা? তিনি আজ জামায়াতের কোলে উঠে বসেছেন। আবার যেই জামায়াতের নেতারা একসময় বিএনপির কাঁধে পারা দিয়ে মন্ত্রী হয়েছেন, একসময় আওয়ামী লীগের কাঁধে পারা দিয়েও তারা মন্ত্রী হয়েছেন। বিভিন্ন সময়ে তারা দালালি করেছে, তাদের বিক্রি করছে।”

তিনি হুঁশিয়ারি দেন, “বিএনপিকে অনেকে আওয়ামী লীগের কাতারে ছেড়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। আমি ভাইদের বলব, দয়া করে জিহ্বায় একটু লাগাম দিন। আপনাদের ভালো হবে, আমাদের ভালো হবে। এমন বাজে কথা বলবেন না যা মানুষের রক্তে আগুন ধরিয়ে দিতে পারে। বিএনপি ঝগড়ার দল নয়, বিএনপি গণতন্ত্রকামী দল, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে লড়াই করে।”

আজ বিকেল ৫টায় বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে মৌন মিছিল শুরু হয়। কাকরাইল মোড়, মৌচাক হয়ে রামপুরার আবুল হোটেলের সামনে গিয়ে শেষ হয়েছে।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল হক মজনুর সভাপতিত্বে, সদস্যসচিব তানভীর আহমেদ রবিনের সঞ্চালনায় এ কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নেতা মীর শরাফত আলী সপু, আমিরুজ্জামান খান শিমুল, আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারী, মহানগর দক্ষিণ বিএনপি নেতা হাবিবুর রশিদ হাবিব, ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন প্রমুখ।

সর্বশেষ - শিক্ষা

২০২৭ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা কবে জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বিএনপিতে ভিন্নমতের বিরুদ্ধে মব কালচার তৈরি হয়েছে: ইসহাক সরকার

২৫ বছর সরকারপ্রধান মোদি, দিল্লির মন্দিরে গিয়ে করলেন প্রার্থনা

ঢাকা ও চট্টগ্রামের একাংশে বিদ্যুৎ বিপর্যয়, ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে সরবরাহ

আন্দোলনের মধ্যেই বিশেষ ঘোষণা মোদির

পরিবহন খাতের ‘মাফিয়াতন্ত্র’ ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে আসবে: রিজভী

২০২৭ শিক্ষাবর্ষে চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে নতুন চারটি বই

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নিরপেক্ষতা ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

জিএম কাদেরের বাসভবনে হামলা: সেনা তলব, বৈষম্যবিরোধী ও বিএনপি নেতাদের জিজ্ঞাসাবাদ

সার ডিলার নিয়োগে দলীয়করণ ও দুর্নীতির অভিযোগ গোলাম পরওয়ারের