মঙ্গলবার , ২৭ অক্টোবর ২০২৬ | ১৬ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. জাতীয়
  2. ভিডিও
📢 এখানে আপনার বিজ্ঞাপন দিন
বিজ্ঞাপনের আকার সর্বোচ্চ: 1080 × 200 px

ঢাকা ও চট্টগ্রামের একাংশে বিদ্যুৎ বিপর্যয়, ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে সরবরাহ

প্রতিবেদক
Sabiha Sultana
অক্টোবর ২৭, ২০২৬ ৯:৫২ পূর্বাহ্ণ

ঢাকা ও চট্টগ্রামের একাংশে বিদ্যুৎ বিপর্যয়, ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে সরবরাহ

দেশের বড় একটি অঞ্চলে বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বেলা পৌনে একটার দিকে ঢাকার পূর্বাঞ্চল ও চট্টগ্রামের একাংশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এতে সচিবালয়, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও আবাসিক এলাকা বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে।

বেলা আড়াইটার দিকে বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হতে শুরু করে। পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি জানিয়েছে, প্রায় পৌনে দুই ঘণ্টা পর জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি শুরু হয়েছে। তবে তখনও কিছু এলাকায় সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি।

বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের সুনির্দিষ্ট কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

যেসব এলাকায় বিদ্যুৎ বিপর্যয়

পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার বেলা পৌনে একটার দিকে ঢাকার পূর্বাঞ্চলের ভুলতা, হরিপুর, সিদ্ধিরগঞ্জ, গুলশান, রামপুরা, উলন ও মতিঝিলসহ বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এ ছাড়া মগবাজার, বনশ্রী ও খিলগাঁও এলাকাও বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে। চট্টগ্রামের একাংশেও একই পরিস্থিতি তৈরি হয়।

বিপর্যয়ের পর বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে কাজ শুরু করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। পাওয়ার গ্রিড জানিয়েছে, জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয়ের পর বেশ কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়ে যায়। পরে ধাপে ধাপে কেন্দ্রগুলো চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর ফলে বিভিন্ন এলাকায় পর্যায়ক্রমে বিদ্যুৎ সরবরাহ ফিরতে শুরু করে।

তবে দেশের উত্তরাঞ্চলসহ অন্যান্য এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল ও স্বাভাবিক ছিল বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

বিদ্যুৎ না থাকায় বন্ধ ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম

বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারকাজেও। বিদ্যুৎ না থাকায় প্রায় আধা ঘণ্টা অপেক্ষার পর ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়। পরে ওই দিন আর ট্রাইব্যুনাল না বসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম দুপুরে প্রথম আলোকে বলেন, বিদ্যুৎ না থাকার কারণে এর আগে কখনো ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম বন্ধ হয়েছিল কি না, তা তাঁর মনে পড়ছে না।

চাহিদার তুলনায় উৎপাদন ঘাটতি ছিল ২৯৮ মেগাওয়াট

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৪ হাজার ৬০১ মেগাওয়াট। ওই সময় উৎপাদন হয় ১৪ হাজার ৩০৩ মেগাওয়াট। অর্থাৎ চাহিদার তুলনায় উৎপাদন ঘাটতি ছিল ২৯৮ মেগাওয়াট।

তবে বিদ্যুতের এই ঘাটতির সঙ্গে জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয়ের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিপর্যয়ের কারণ ও সূত্রপাত নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকেও তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এর আগেও ঘটেছে জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয়

বাংলাদেশে এর আগেও জাতীয় গ্রিডে বড় ধরনের বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটেছে। ২০২২ সালের ৪ অক্টোবর বেলা ২টা ৫ মিনিটে পূর্বাঞ্চলীয় গ্রিডে বিপর্যয় শুরু হলে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহসহ দেশের বড় একটি অংশ বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে। সে সময় বিভিন্ন এলাকায় তিন থেকে আট ঘণ্টার মধ্যে ধাপে ধাপে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়।

এর আগে ২০১৪ সালের ১ নভেম্বর জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয়ের কারণে সারা দেশে প্রায় ১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল।

সর্বশেষ - শিক্ষা

ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে স্টোর অফিসার নিহত

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৫৮ বাংলাদেশি নাগরিক

২৫ বছর সরকারপ্রধান মোদি, দিল্লির মন্দিরে গিয়ে করলেন প্রার্থনা

মহালয়ায় মানুষের চিন্তা থেকে অশুভ ভাব দূর করে শুভবোধ জাগানোর আহ্বান ভারতীয় হাইকমিশনারের

গোপালগঞ্জে হামলার জেরে এনসিপি’র ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন প্রস্তুতি সম্পন্ন করার নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

কোরবানির ঈদে ডায়াবেটিস রোগীদের সুস্থ থাকার উপায়

প্রধান উপদেষ্টা হতাশ ও ক্ষুব্ধ, পদত্যাগের আলোচনা চলছে

ইসরায়েলের হামলা থেকে ইরানের আত্মরক্ষা এরদোয়ানের সমর্থন

মক্কায় করিডোরে ঘুমিয়ে পড়লে ব্যবস্থা: সৌদি আরবের কড়া বার্তা