মজুরি বোর্ড গঠনের পরও সড়ক অবরোধ করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টির প্রয়োজন নেই—পোশাকশ্রমিকদের এমনটি বোঝানোর চেষ্টা করেছে পুলিশ। তবে শ্রমিকেরা সড়ক ছাড়তে রাজি না হওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাউন্ড গ্রেনেড ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, শ্রমিকদের সড়ক থেকে সরে যাওয়ার অনুরোধ করা হলেও তাঁরা অবরোধ চালিয়ে যান। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাউন্ড গ্রেনেড ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করা হয়।
এ ঘটনায় কোনো পুলিশ সদস্য বা শ্রমিক আহত হননি বলে দাবি করেছেন ওই কর্মকর্তা। তবে সংঘর্ষ এবং পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তার পূর্ণাঙ্গ হিসাব এখনো পাওয়া যায়নি।
ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির দাবি পোশাকশ্রমিকদের দীর্ঘদিনের। শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি বিবেচনায় নেওয়ার পাশাপাশি সড়ক অবরোধ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় জননিরাপত্তা এবং স্বাভাবিক যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার বিষয়টিও উদ্বেগ তৈরি করেছে।
মজুরি বোর্ড গঠনের ঘোষণা শ্রমিকদের প্রত্যাশা পূরণে কতটা কার্যকর হয়, তা এখন গুরুত্বপূর্ণ। শ্রমিক, মালিকপক্ষ ও সরকারের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমাধান না এলে দেশের গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলগুলোতে শ্রমিক অসন্তোষ আরও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

















