শুক্রবার , ২২ আগস্ট ২০২৫ | ১৬ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. ভিডিও
📢 এখানে আপনার বিজ্ঞাপন দিন
বিজ্ঞাপনের আকার সর্বোচ্চ: 1080 × 200 px

আমিরাতের ভিসা জটিলতায় অনিশ্চয়তায় বাংলাদেশি কর্মীরা

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
আগস্ট ২২, ২০২৫ ১০:৩০ পূর্বাহ্ণ

মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম বড় শ্রমবাজার সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) ভিসা ইস্যু জটিলতায় বিপাকে পড়েছেন বাংলাদেশি কর্মীরা। নতুন ভিসা প্রদান বন্ধ থাকা ও অভ্যন্তরীণ ভিসা পরিবর্তনের সুযোগ না থাকায় হাজারো প্রবাসী চরম অনিশ্চয়তায় রয়েছেন।

বাংলাদেশ মিশন কূটনৈতিকভাবে চেষ্টা চালালেও কবে ভিসা উন্মুক্ত হবে সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত কোনো তথ্য দিতে পারছে না। বিষয়টি পুরোপুরি নির্ভর করছে আমিরাত সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর।

শ্রমবাজারে এ সংকট বড় ধরনের হুমকি তৈরি করেছে। এতে কর্মসংস্থান, আয়-রোজগার এবং দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। বিভিন্ন সময়ে ভিসার মেয়াদোত্তীর্ণ অবস্থায় বসবাস, সনদ জালিয়াতি ও অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় আমিরাত সরকার ভিসা নীতিতে কঠোরতা এনেছে। এর ফলে বাংলাদেশিরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

যদিও দুবাইয়ে স্কিল ভিসা চালু রয়েছে, তবে সেখানেও কঠোর শর্ত আরোপ করা হয়েছে। গ্র্যাজুয়েশন সনদ ছাড়া ভিসা দেওয়া হচ্ছে না। এ সনদকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, দূতাবাস এবং সর্বশেষ আমিরাতের বৈদেশিক মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিতে হচ্ছে। জটিল ও দীর্ঘ এ প্রক্রিয়ায় কর্মপ্রত্যাশীরা হতাশ হচ্ছেন।

বাংলাদেশ মিশনের তথ্যমতে, জালিয়াতি ঠেকাতে স্কিল ভিসায় চালু করা হয়েছিল বারকোড ব্যবস্থা, কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই সেটিও জাল করার অভিযোগ ওঠায় ইউএই কর্তৃপক্ষ নিয়মিত আপত্তি জানাচ্ছে। রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ জানিয়েছেন, সাত মাস ধরে প্রচেষ্টা চললেও ভিসা ইস্যুতে কোনো অগ্রগতি হয়নি।

জনশক্তি বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, সংকট সমাধান না হলে বহু বাংলাদেশি কর্মী দেশে ফিরতে বাধ্য হবেন। এতে প্রবাসীদের মানসিক চাপ বাড়ছে এবং শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থানও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

প্রবাসী সংগঠকরা মনে করছেন, সরকারের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার পাশাপাশি কর্মীদের ভিসা নীতিমালা কঠোরভাবে মেনে চলা জরুরি। নইলে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শ্রমবাজারে বাংলাদেশের উপস্থিতি আরও সংকুচিত হয়ে পড়বে।

সর্বশেষ - শিক্ষা