খুলনা নগরীতে হঠাৎ করেই বায়ুদূষণ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। শহরজুড়ে নিয়ন্ত্রণহীন খোঁড়াখুঁড়িতে চারপাশ ধুলোবালিতে ছয়লাব হয়ে যায়। সেই সঙ্গে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, ময়লা-আবর্জনা, ইটভাটা ও মোটরযান থেকে নির্গত বিষাক্ত ধোঁয়া দূষণের মাত্রা বাড়াচ্ছে। বায়ুদূষণ নিয়ে কাজ করা সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের তথ্য অনুযায়ী, গত দেড় মাস ধরেই খুলনার বাতাস অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় রয়েছে।
১৯ ডিসেম্বর খুলনার বায়ুমান ছিল ২৭৯, ১২ নভেম্বর ৩০৯, ২৬ নভেম্বর ছিল ২৭৭। যা ঢাকার বায়ুমান থেকেও অনেক বেশি। বর্তমানে খুলনার বায়ুমান ২৭৭ থেকে ৩০৯এর মধ্যে অবস্থান করছে। যা মানবদেহের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
জানা যায়, ২০২০ সাল থেকে বিশ্বের পাঁচটি শহরকে ‘স্বাস্থ্যকর শহর’ হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সেই তালিকায় থাকা খুলনা শহর হাঁটছে উল্টোপথে। বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি-বেলা বিভাগীয় সমন্বয়কারী মাহফুজুর রহমান মুকুল বলেন, সরকারি দপ্তরগুলোর ব্যর্থতায় খুলনা শহর দূষিত বাতাসের শহরে পরিণত হচ্ছে। খুলনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য ডা. মো. রুহুল আমিন বলেন বাতাসে বস্তুকণার পরিমাণ বৃদ্ধিতে মানুষ কাশি, অ্যাজমায় আক্রান্ত হয়।
















