বুধবার , ৪ নভেম্বর ২০২৬ | ১৯শে কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. জাতীয়
  2. ভিডিও
📢 এখানে আপনার বিজ্ঞাপন দিন
বিজ্ঞাপনের আকার সর্বোচ্চ: 1080 × 200 px

শাম্মী আহম্মেদের স্বামীর কাছে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

প্রতিবেদক
Sabiha Sultana
নভেম্বর ৪, ২০২৬ ৬:০১ পূর্বাহ্ণ

সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মী আহম্মেদের স্বামী সিদ্দিক আবু জাফরের কাছে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং গ্রেপ্তারের ভয় দেখিয়ে ১০ লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক পরিচয়দানকারী আবদুর রাজ্জাক ওরফে রিয়াদসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

তদন্তে চাঁদা দাবি, ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায় এবং সেই টাকা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১৬ জুলাই রাতে সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মী আহম্মেদকে গ্রেপ্তারের কথা বলে পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে তাঁর গুলশানের বাসায় যান রিয়াদ ও জানে আলম অপু। বাসায় তল্লাশি চালিয়েও শাম্মীকে না পেয়ে পুলিশ চলে যায়। পরে ওই দুই ব্যক্তি পুলিশ ছাড়াই আবার বাসায় প্রবেশ করেন।

এ সময় বাসার মালিক সিদ্দিক আবু জাফরকে আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যা দিয়ে গ্রেপ্তারের ভয় দেখানো হয়। তাঁর কাছে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হলে ভয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ১০ লাখ টাকা দিতে বাধ্য হন তিনি। টাকা গ্রহণের ভিডিও ফুটেজও পিবিআইয়ের হাতে রয়েছে বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরে ২৬ জুলাই বাকি ৪০ লাখ টাকা আদায়ের জন্য আসামিরা আবার ওই বাসায় যান। এ সময় সিদ্দিক আবু জাফরের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ রিয়াদসহ পাঁচজনকে আটক করে। পরে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সহায়তায় পলাতক আসামি জানে আলম অপুকেও গ্রেপ্তার করা হয়।

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়েছে, মামলার প্রধান আসামি আবদুর রাজ্জাক রিয়াদ এবং আরেক আসামি জানে আলম অপু আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

জবানবন্দিতে রিয়াদ বলেন, ‘আমি গরিবের ছেলে, টাকার লোভ সামলাতে পারিনি।’ টাকার লোভ সামলাতে না পেরে তিনি চাঁদা দাবি করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন।

অন্যদিকে, অপুর জবানবন্দি অনুযায়ী, আদায় করা ১০ লাখ টাকা আসামিরা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেন। ওই অর্থের একটি অংশ দিয়ে অপু নতুন মোটরসাইকেল কেনেন এবং বাকি কিছু টাকা দিয়ে ধারদেনা পরিশোধ করেন।

তদন্তে আরও উঠে এসেছে, ৫ আগস্টের পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সুযোগ নিয়ে আসামিরা নিজেদের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক পরিচয় দিয়ে পুলিশের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলেন। এরপর বিভিন্ন ব্যক্তিকে হয়রানি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদা আদায় করতেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের উপপরিদর্শক (এসআই) ফিরোজ আহমেদ মুন্সী গত ১৫ অক্টোবর ছয়জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলার একজন আসামি শিশু হওয়ায় তার বিচার শিশু আদালতে অনুষ্ঠিত হবে।

আগামী ১০ নভেম্বর মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণের শুনানির দিন ধার্য রয়েছে। বর্তমানে মামলার সব আসামি জামিনে রয়েছেন।

সর্বশেষ - শিক্ষা

অন্তর্বর্তী সরকারের নীতি কৌশলে দ্রুত কমছে মূল্যস্ফীতি

একদিনে রেকর্ড কনটেইনার হ্যান্ডলিং চট্টগ্রাম বন্দরে

দক্ষিণ চীন সাগরে মার্কিন হেলিকপ্টার ও যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত

ড. ইউনূসের পদত্যাগ চায় না বিএনপি, জানালেন সালাহউদ্দিন

নাটকীয় ম্যাচে ৪ উইকেটে বাংলাদেশে স্বস্তির জয়

ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধবিরতি কার্যকর

হাসিনার প্রেস কনফারেন্স ও ভারতের দায়িত্ব অস্বীকার

বগুড়ার উন্নয়ন ঘাটতি পূরণে ছাড় নয়: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

সচিবালয় রণক্ষেত্র, উত্তাল দেশ, মাইলস্টোনে অবরুদ্ধ উপদেষ্টারা

দক্ষিণ চীন সাগরে চীনা নৌবাহিনীর ধাওয়ায় সরে গেল মার্কিন যুদ্ধজাহাজ