মঙ্গলবার , ২০ অক্টোবর ২০২৬ | ১৬ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. জাতীয়
  2. আন্তর্জাতিক
  3. ভিডিও
📢 এখানে আপনার বিজ্ঞাপন দিন
বিজ্ঞাপনের আকার সর্বোচ্চ: 1080 × 200 px

সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর দুই বাংলাদেশি স্বামী-স্ত্রী নন, বলছে পরিবার

প্রতিবেদক
Sabiha Sultana
অক্টোবর ২০, ২০২৬ ১১:০৬ পূর্বাহ্ণ

সৌদি আরবের মক্কা অঞ্চলে একটি মসজিদের ভেতরে ‘অনৈতিক কর্মকাণ্ডে’ জড়িত থাকার অভিযোগে গত ১৪ অক্টোবর দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুজন স্বামী-স্ত্রী ছিলেন এবং হানিমুনের পরিবর্তে ওমরাহ করতে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন। তবে এসব দাবির সত্যতা পাওয়া যায়নি।

মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশি হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার নজরুল ইসলাম (২২) এবং টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার সুইটি আক্তার। তাঁদের পরিবারের বক্তব্য অনুযায়ী, নজরুল অবিবাহিত ছিলেন। অন্যদিকে, সুইটি আগে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেও তাঁর সংসার দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। দুই পরিবারের কেউই একে অপরের সম্পর্কে আগে থেকে জানতেন না বলে জানিয়েছেন।

পরিবারের বরাত দিয়ে জানা যায়, আর্থিক সচ্ছলতা ফেরানোর আশায় ২০২২ সালের নভেম্বর মাসে সৌদি আরবে পাড়ি জমান কৃষক পরিবারের সন্তান নজরুল ইসলাম। সেখানে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কাজ শুরু করেন তিনি। সৌদি আরবে যাওয়ার প্রায় ছয় মাস পর মক্কার একটি মসজিদে সুইটি আক্তারের সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তাঁদের গ্রেপ্তার করে দেশটির পুলিশ।

অন্যদিকে, সুইটি আক্তারের বাড়ি টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার মহেড়া ইউনিয়নে। পাঁচ বোনের মধ্যে সবার ছোট সুইটি পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতার আশায় ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে সৌদি আরবে যান। সেখানে তিনিও পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কাজ করতেন।

যা বলছে নজরুলের পরিবার

নজরুলের বাবা আবদুল বাছির জানান, ছেলেকে সৌদি আরবে পাঠাতে ২০২২ সালে সাত লাখ টাকা ঋণ করেছিলেন তিনি। সৌদি আরবে যাওয়ার এক মাসের মধ্যে নজরুল মক্কার মসজিদুল হারামে পরিচ্ছন্নতাকর্মীর কাজ। তবে সাত-আট মাস পর থেকে তাঁর সঙ্গে পরিবারের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।

আবদুল বাছির বলেন, প্রায় দেড় মাস পর নজরুল সৌদি আরবের কারাগার থেকে ফোন করে নিজের বন্দি থাকার কথা জানান। তবে কী কারণে তাঁকে আটক করা হয়েছে, সে বিষয়ে কিছু বলেননি নজরুল। পরিবারের সদস্যরাও বিষয়টি জানতে পারেননি।

তিনি আরও জানান, প্রায় তিন বছর তিন মাস ধরে কারাগারে ছিলেন নজরুল। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে গত রোববার ছেলের সঙ্গে তাঁর শেষবার কথা হয়। ওই সময় নজরুল জানিয়েছিলেন, তিনি সমস্যার মধ্যে রয়েছেন। তবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে কিছু বলেননি।

ছেলের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর পেয়ে আবদুল বাছির বলেন, ‘নজরুল অবিবাহিত ছিল। মেয়েটি সম্পর্কে আমরা কিছুই জানি না।’

তিনি সরকারের কাছে ছেলের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন।

সুইটির মৃত্যুদণ্ডের খবর জানতেন না পরিবার

সুইটি আক্তারের বড় বোন বিউটি আক্তার জানান, পরিবারের আর্থিক অবস্থার উন্নতির আশায় দালালের মাধ্যমে ২০২৩ সালে সুইটিকে সৌদি আরবে পাঠান তাঁদের বাবা। এ জন্য পরিবারকে ঋণও করতে হয়েছিল। সেখানে সুইটি মক্কায় পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কাজ করতেন।

বিউটি আক্তার বলেন, সৌদি আরবে যাওয়ার ছয় মাস পর তাঁরা জানতে পারেন, সুইটি কারাগারে রয়েছেন। তবে কী কারণে তাঁকে আটক করা হয়েছে, সে বিষয়ে কখনো কিছু জানাননি সুইটি। পরিবারের সদস্যদের সবসময় বলতেন, তিনি ভালো আছেন এবং তাঁদের চিন্তা করতে হবে না।

সুইটির বড় বোন আরও বলেন, ‘শেষবার যখন কথা হয়েছিল, তখনও বলেনি যে তার মৃত্যুদণ্ডের রায় হয়েছে।’

নজরুল ইসলাম সম্পর্কে তাঁদের পরিবারের আগে কোনো ধারণা ছিল না বলেও জানান বিউটি আক্তার। তাঁর ভাষ্য, ওই তরুণের বিষয়ে তাঁরা সম্প্রতি জানতে পেরেছেন।

এদিকে, মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশির মরদেহ দেশে ফেরত আসার একটি ভিডিও এবং তাঁদের স্বামী-স্ত্রী পরিচয় ও ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে যাওয়ার দাবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লেও এসব দাবির সত্যতা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

সর্বশেষ - শিক্ষা

জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর, নতুন বাংলাদেশের সূচনা ঘোষণা করলেন ড. ইউনূস

‘এটা তোমাদেরই দেশ, এর দায়িত্বও তোমাদের’—শিক্ষার্থীদের প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশে জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিসের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

যে কারণে জামায়াতের ভোট কমতে পারে বলে মনে করেন মাসুদ কামাল

খালেদা জিয়ার জানাজায় যোগ দেবেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ভুটান-বাংলাদেশ বাণিজ্য ও বিনিয়োগে নতুন দ্বার

আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক ইসি ওয়েবসাইট থেকে অপসারিত

সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে শুরুর একাদশে থাকবেন মেসি?

ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৫১২

ইসরায়েলের হুমকিতে ভীত না হওয়ার আহ্বান জাতিসংঘ মহাসচিবের