মাদারীপুর সদর উপজেলায় মসজিদ কমিটির নেতৃত্ব নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে পাঁচজন আহত হয়েছেন। এ সময় স্থানীয় জুলাই যোদ্ধা তামিম মাতুব্বরের বাড়িসহ প্রায় ২০টি বসতঘরে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। পরে কয়েকটি বাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এ ছাড়া এলাকায় একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটেছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকালে সদর উপজেলার ঘটমাঝি ইউনিয়নের বাহেরান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় চার মাস আগে বাহেরান্দি জামে মসজিদের সভাপতি হিসেবে মোশারফ ফকিরের নাম ঘোষণা করেন স্থানীয় মুসল্লিরা। তবে অপর একটি পক্ষ বাচ্চু মোড়লকে সভাপতি করার দাবি জানায়। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়।
এই বিরোধের জেরে গত সোমবারও দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়। ওই সময় কয়েকটি বসতঘরে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এর ধারাবাহিকতায় বুধবার সকালে একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের পর দুই পক্ষ আবারও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
এ সময় তামিম মাতুব্বরের বাড়িসহ প্রায় ২০টি বসতঘরে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। পরে কয়েকটি বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। সংঘর্ষে পাঁচজন আহত হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাঁদের পরিচয় জানা যায়নি।
খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে এলাকায় উত্তেজনা অব্যাহত থাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, সামান্য বিষয় নিয়ে দুই পক্ষ প্রায়ই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের নামের তালিকা তৈরি করে তাঁদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল কাজ শুরু করেছে বলেও জানান তিনি।
এদিকে ঘটনার পর থেকে মোশারফ ফকির ও বাচ্চু মোড়লের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তাঁদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


















