যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস চক্রের সাত সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৩। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে বিপুলসংখ্যক প্রবেশপত্র, স্ট্যাম্প ও ব্যাংক চেক উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে পরিবেশ অধিদপ্তর ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মচারীরাও রয়েছেন।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাজধানীর কারওয়ানবাজারে সংস্থাটির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান এসআরবি-৩-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফায়েজুল আরেফীন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন এনবিআরের অফিস সহায়ক নূর মোহাম্মদ, কম্পিউটার অপারেটর জাহাঙ্গীর, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক আসাদ, পরিবেশ অধিদপ্তরের ডেটা এন্ট্রি অপারেটর রুবেল, বেসরকারি চাকরিজীবী এস এম ইমদাদুল ইসলাম এমদাদ, মফিজুর ওরফে রাফি এবং হাসিনুর রহমান সুজন।
এসআরবি জানায়, চক্রটি হোয়াটসঅ্যাপে ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে প্রতারণা করত। তারা হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে প্রার্থীদের কাছে প্রশ্নপত্র সরবরাহের কথা বলে জনপ্রতি ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা আদায় করত।
সংস্থাটির তথ্যমতে, গত ১০ অক্টোবর নিয়োগ পরীক্ষা শুরুর আগে ভোরে এনবিআরের অফিস সহায়ক নূর মোহাম্মদের কাছে প্রশ্নপত্র পৌঁছায়। পরে তিনি চক্রের অন্য সদস্যদের কাছে প্রশ্নপত্র হস্তান্তর করেন। চক্রটি গত চার থেকে পাঁচ বছর ধরে প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িত বলে জানিয়েছে এসআরবি। মূলত প্রশ্নফাঁসের প্রক্রিয়ায় দ্বিতীয় ধাপে কাজ করত এই চক্র।
উল্লেখ্য, গত শনিবার যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন পরীক্ষার্থীরা। ওই দিনই ঘটনার তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।


















